Author: admin

  • কাসি (Cough)

    ৩৪২

    কাসি

    (Cough)

    “কাসি” অন্য রোগের একটি উপসর্গ মাত্র। গলনলীর বিকৃতি, পাকস্থলীর ক্রিয়া-বিকার, ফুসফুস-প্রদাহ, যকৃতের পীড়া, প্রভৃতি পীড়ার সহিত প্রায়ই কাসি বর্তমান থাকে। যক্ষ্মারোগে জার ও বক্ষঃস্থলে বেদনাসহ কাসি বিদ্যমান থাকে। হাঁপানিতে যে কাসি থাকে, তাহা রাত্রিতে বৃদ্ধি পায় এবং সেইসঙ্গে শ্বাসকষ্ট থাকে। নিউমোনিয়াতে ইষ্টক-চূর্ণের বর্ণবিশিষ্ট স্বরণ নিষ্ঠীবনযুক্ত কাসি বর্তমান থাকে। রক্তোৎকাসে উজ্জল রক্তসহ কাসি এবং ঘুংড়ি-কাসিতে “ঘণ্ড-ঘণ্ড” শব্দবিশিষ্ট কাসি থাকে। হাম-জনরের সঙ্গে একপ্রকার শুষ্ক খুসখুসে কাসি দেখা যায়; এতদ্ব্যতীত স্বরযন্ত্র-প্রদাহ, গলায় আলুজিবের বিবৃদ্ধি, বঙ্গাবরক-ঝিল্লী-প্রদাহ, হৃৎপিন্ডের অক্ষমতাজনিত ফুস-ফুসে অধিক রক্তসঞ্চয় প্রভৃতি কারণে কাসি হইতে পারে। কাসি যদিও অন্য পাঁড়ার উপসর্গ’ মাত্র, তথাপি বহু দিবস যাবৎ কাসিতে ভুগিলে কিম্বা নিম্ন-লিখিত ঔষধাদি ব্যবহার সত্ত্বেও পীড়া নিরাময় না হইলে উহা নিরাকরণকল্পে উপযুক্ত চিকিৎসকের সাহায্য লওয়া আবশ্যক। এইরূপ কাসি উপেক্ষার বিষয় নহে।

    কয়েকটি প্রধান ঔষধের লক্ষণ

    অ্যাকোনাইট ৩০-৬। শুষ্ক ও কঠিন তরুণ কাসি এবং তৎসহ অস্থিরতা, মাথাধরা: মুখমণ্ডল রক্তিমান্ড, তৃষ্ণা, গলা শুষ্ক ও জ্বালাযুক্ত: স্বল্প প্রস্রাব, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রভৃতি লক্ষণ; চিৎ হইয়া শয়ন করিলে কাসির উপশম: কাৎ হইয়া শয়ন করিলে এবং জল পানে বা ধূমপানে কাসির বৃদ্ধি: কাসিবার সময় বক্ষঃস্থলে খোঁচাবে’ধার মত বেদনা: শুষ্ক ঠান্ডা বাতাস লাগান হেতু কাসি। রাত্রিকালে বিশেষতঃ মধ্যরাত্রিতেই কাসির বৃদ্ধি।

    ইপিকাক ৩০। অবিরত হাঁচি বুকে প্রচুর সর্দি, কিন্তু কাসিলেও উঠে না। আক্ষেপিক শ্বাসরুদ্ধকর কাসি, শ্বাসনলীতে সুড়সুড়ি, সাই-সাই শব্দ ও প্রবল কাসি, অতিরিক্ত পরিমাণে শ্লেষ্মা জমিয়া ঘড়ঘড় শব্দ: কাসিবার

    সময় নাভিতে বেদনা; বমনেচ্ছা বা বমন গ্রুপ-কাসির প্রথমাবস্থা সपहन, স্বরলোপ। মোটাসোটা ছেলেদের গৃহড়ি-কাসি।

    সিন্য ৩০। শুল্ক কাসি, কখন কখনও শ্লেষ্মা নিঃসরণ; নাসিকায় জালা; প্রচন্ড কাসি, রাত্রিকালেই বেশী; কাসির জন্য শুইয়া থাকিতে পারে না. উঠিয়া বসিতে হয়। ক্রিমিযুক্ত ছেলেদের পক্ষে বিশেষ উপযোগী।

    সিপিয়া ৩০। দিবারাত্র অবিভ্রান্ত ধর্ম’, শ্লেষ্মা তুলিতে না পারা হেতু গিলিয়া ফেলা, বুকে শ্লেষ্মা জমা হেতু কাসি।

    ক্যাল্কেরিয়া-কার’ ৬। রাত্রিতে শুল্ক কাসি, নিদ্রার পরই কাসি।

    রাত্রিকালে শুষ্ক ও দিবাভাগে তরল শ্লেষ্মাস্রাবসহ কাসি। এক মাড়মড় ও গলা সুড়সুড় করে। ঈষৎ মিষ্টস্বাসযুক্ত শ্লেষ্মা, কখন কখনও দুর্গন্ধযুক্ত শ্লেষ্মাস্রাব: পূজের মত গয়ার নিঃসরণ এবং উহা জলে ডুবিয়া যায়।

    জ্যাকেসিস ৬। ঘুম ভাঙ্গিলে কাসির বৃদ্ধি। অনেকক্ষণ, ফাসিবার পর সামান্য একটু গয়ার উঠে। গলা সুড়সুড় করিয়া অবিরাম শ্বাসরোধক কাসি। কাসিতে কার্সিতে খুব খানিকটা রজ্জবৎ শ্লেষ্মা উঠিয়া যায়।

    সারদুইনেরিয়া-নাইট্রিক ৬। নাক সুড়সুড় করিয়া অনবরত কাসি।

    জেন্সিমিয়াম ৩। স্বরভঙ্গ ও স্বরবন্ধতাসহ উগ্র কাসি ও সেইসঙ্গে গলায় এবং বুকে বেদনা (প্রদাহের প্রথমাবস্থায়)।

    বেলেডোনা ৩০-৬। শুষ্ক কাসি, কাসিবার সময় আজেল, কাসিতে কাসিতে দম আটকাইয়া যাওয়া, প্রবল কাসি, কাসির শেষে হাঁচি। পুরাতন কাসি একটু সরল হয় (টুকরা টুকরা শ্লেষ্মা নিঃসরণ হয়); গলা সুড়সুড় করা, স্বরনলী বা কণ্ঠনলীতে প্রদাহ, পূর্ণ ও কঠিন নাড়ী, উজ্জল চচ্ছ, মুখমন্ডল রক্তবর্ণ, মাথাধরা, মস্তিষ্কে রক্তাধিক্য, কখন কখনও সৎসে কাসি, রাত্রিতে বৃদ্ধি, শীতল বাতাসে আরাম বোধ, বহুঃস্থলে যাতনা; শ্বাস-প্রশ্বাস মৃদু।

    অ্যাসিড-নাইট্রিক ৩-৩০। অল্পক্ষণস্থায়ী শুষ্ক ও বিরক্তিকর বহু-দিনের পুরাতন কাসি, গয়ার নিঃসরণ হয় না. বক্ষাস্থির নিম্পে বেদনা, কোষ্ঠকাঠিন্য।

    এস্টিম-টার্ট ৩-৩০। -ছীণ স্বর, স্বরভঙ্গ, কথা কহিলে বৃদ্ধি। কাসিলে বা নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসকালে গলায় শ্লেষ্মা ঘড়ঘড় করে এবং ঐ শব্দ দূর 

    হইতে শোনা যায়। শোখা যড়ড় করে, কিন্তু কালিলে উঠে না, কখনও বা ফেনাহর প্রেক্ষ্য। ভাসিতে কাসিতে হাঁপাইতে থাকে এবং হাই উঠে। বরতলাহর শুক্ষ কাসি, পথ্য মড়মড় করিয়া পরল লেখা কষ্টে সিখেন, আমার করিবার সময় ভাসিতে কাদিতে ভুক্তয়বা বমন।

    রাইয়োনিয়া ৩-০০। শুল্ক কাসি (দিবসে বৃদ্ধি), সরল কাসি,

    লাদা ও হলদে গয়ার নিঃসরণ সমন বা বমনেচ্ছা, বমনেচ্ছায় কালি বাড়ে এবং কাসিলে নধন হয়। কাসিবার সময় মস্তকে, বহুঃস্থালে ও পার্শ্বদেশে ছিঁড়িয়া ফেলার ন্যায় বা সূচীবিষবৎ বেদনা, কাসিবার সময় সর্বাঙ্গে কম্পন, প্রাতঃ কালে, সন্ধ্যার সময়ে ও শীতল বাতাসে কাসির বৃদ্ধি। কৃষ্ণ কাসি (কাসিতে কাসিতে গময় সময় লেচ্ছা সরল হয় ও রক্তের দাগসহ কিল্ডিং নিঃসরণ হইয়া থাকে), পানাহারে কাসির বৃদ্ধি। কাসির প্রাবল্যে রোগী বিছানায় উঠিয়া বসিতে বাধ্য হয়। গরম ঘরে গেলে কাসির উদ্ভেক-এই ঔষধের একটি নির্দেশক লক্ষণ।

    সাফার ৬-৩০।-পুরাতন কাসি, দূরারোগ্য শুল্ক কার্সি সহ বৃকে পাটিয়া ধরা ও বমনেচ্ছা সরল কাসিসহ দিবাভাগে ঈষৎ হরিং বা সবুজাভঅথবা হরিদ্রাভ শ্লেষ্মা নিঃসরণ এবং রাত্রিকালে শুষ্ক কাসি ও তৎসহ শিরঃপীড়া: রক্ত-বমন।

    রিউমেন্স ৬। অনবরত শুষ্ক কাসি, কাসিবার সময় আক্ষেপ: শয়নে, ঠান্ডা বাতাসে বা রাত্রিতে পাঁড়ার বৃদ্ধি, দিবা ১০-১২ ঘটিকায় পাঁড়ার বৃদ্ধি, আপাদমস্তক বস্ত্রদ্বারা আবৃত করিলে আরাম বোধ।

    ষ্টিষ্টা ৬-১২। অনবরত শুষ্ক কাসি (সাধারণতঃ কাসিবার সময়ে কোনরূপ যাতনা থাকে না), গ্রুপিং-কাসির মত আক্ষেপ, রাত্রিতে বা রোগী ক্লান্ত হইলে পাঁড়ার বৃদ্ধি।

    ম্যাঙ্গেনাম-অ্যাসেটিকাম ৬-৩০। শয়ন করিলেই কাসির উপশম, স্বরভঙ্গ (পুরাতন)। সন্ধ্যায় এবং আর্দ্র বায়তে কাসির বৃদ্ধি।

    ড্রসেরা ৩০। আক্ষেপিক কাসি; শুইলে, হাসিলে, কাঁদিলে, গান গাহিলে, ধূমপানে বা জলাদি পানে এবং অধিক রাত্রিতে বৃদ্ধি। ঘঙঘতে কাসি: বমন বা বমনেচ্ছা গয়ার হলদে, পূজের ন্যায় দুর্গন্ধযুক্ত ও তিক্তস্বাদ। শ্বাসকষ্ট, গয়ারে রক্তের দাগ, ঘুম ভাঙ্গিবার পর ঘাম।

    ডাঙ্কামারা ৬-৩০। হাম-জরের পর কাসি; শুষ্ক বিকৃত কাসি।

    সময় সময় তরল কাসিতেই ইহা ফলপ্রসূ। কাসিতে কাসিতে ধূ’কিতে বা হাঁপাইতে থাকে: শইলে ও গরমে কাসির বৃদ্ধি; মুক্ত বায়ুতে উপশম। জলে ভিজিবার ফলে কাসিতে ডালকামারা মহৌষধ।

    অ্যালিয়াম-স্যাটাইভা ৩।-পুরাতন কাসি, প্রচুর শ্লেষ্মানিঃসরণ; বুকে ব্যথা: প্রাতঃকালে শয়ন-কক্ষের বাহিরে আসিলেই কাসি ও শ্লেষ্মাম্ৰাৰ, চটচটে শ্লেষ্ম, সহজে তোলা যায় না।

    কড়াস-ক্যাক্টাই ৬। পরিষ্কার রজ্জবৎ শ্লেষ্মাযুক্ত প্রচন্ড কাসি:

    আজিঙ্কা বড়, তজ্জন্য অবিরাম কাসি; প্রাতঃকালে আক্ষেপিক কাসি; বাসরোধক কাসি। ঘুম ভাঙ্গিলেই কাসি।

    মার্ক-ডাই ৩ চূর্ণ। কর্কশ, বিরক্তিকর কাসি; কাসিতে কাসিতে গলা চিরিয়া গিয়াছে বা ঘা হইয়াছে এরূপ বোধ নাকে ঘা: ঘর্ম’।

    মার্ক’-সহ ৬।-পুরাতন সরল কাসি, ক্লেদময় ও ক্লেদরসাম্বিত গয়ার নিঃসরণ। রাত্রিতে বৃদ্ধি; পিচ্ছিল,

    মেন্দা-দিদারেটা ৩। শুষ্ক কাসি ধূম বা শীতল বায় লাগিলে কিম্বা কথা কহিলে বা পুস্তকাদি পড়িবার সময় কাসি বৃদ্ধি পায়।

    নাইট্রিক-অ্যাসিড ০। কোষ্ঠবদ্ধতাসহ কাসি।

    কোয়‍্যালিয়াম ৩-৩০। স্নায়বিক বা গুল্মবায়ুগ্রস্ত রোগীর কাসি।

    ম্যাগ্নেসিয়াফস ৬০ চুচূর্ণ (উষ্ণ জলসহ সেব্য)। – আক্ষেপিক কাসি সহ দারুণ যন্ত্রণা।

    কেলি-সাল্ফ ৬০, ৬। হরিদ্রাবর্ণের শ্লেষ্মা নিঃসরণ।

    নেট্রাম-মিউর ৬০, ১২০, ৩০।-সাদা জলবৎ অথবা ফেনিল শেখ নিঃসরণ।

    নেট্রাম-ফস ৩৪, ৬।-অম্লরোগের উপসর্গ’সহ কাসি।

    নেট্রাম-সাফ ৩, ১২০।- পিত্তরোগের উপসর্গ’সহ কাসি; বর্ষাকালে যা আর্দ্র গুলো-হাওয়ায় কাসি।

    কার্বো-ভেজ ৬। সামান্য ঠাণ্ডাতেই কাসি, স্বরভঙ্গ, স্বরলোপ।

    মণিকা ৩। ক্ষণস্থায়ী খুসখুসে কাসি, কাসিতে কাসিতে সর্বশরীর কাঁপিয়া উঠে; কাসির সহিত রক্ত নির্গমন; বন্ধঃপার্শ্বে সূচফুটান মত বেদনা।

    দ.

    ৩৪৬

    হোমিও পারিবারিক চিকিৎলা

    আসে’নিক-অ্যালবাম ৩০-৩০। স্বাসরোধক

    কাসি, বাম্মদে আকুঞ্চন; অস্থিরতা পিপাসা আজেপিক কাসি, রাত্রিতে কাসি আরম্ভহইয়া রোগীর নিদ্রা ভঙ্গ হয় এবং অবশেষে অল্পমাত্র লেদা উঠে।

    কষ্টিকাম ৬-৩০। শুল্ক নওমতে কাসি: কাসিতে কাসিতে প্রস্রাব

    করিয়া ফেলে; স্বরভঙ্গা, রাত্রিকালে শয্যার উত্তাপে কালির বৃদ্ধি। শীতল জল পানে কাসির উপশম। কাসিতে কাসিতে গলা পর্যান্ত স্লেখ্য উঠে. কিন্তু রোগীর শ্লেষ্মা তুলিবার শক্তি থাকে না।

    কোনায়াম ৬-৩০। – গলা খুসখুস করিয়া শুষ্ক কাসি: শয়ন

    করিলে, বসিলে বা হাসিলে এবং রাত্রিকালে কাসির বৃদ্ধি দিবাভাগে কাসি অপেক্ষাকৃত কম।

    স্পঞ্জিরা ২০-৬।-শুষ্ক কুন্ডুর রববৎ বা শিষ দেওয়ার মত কাসি:

    কণ্ঠনলীর শুষ্ক কাসি, কাসির সময় দম আটকাইয়া যাওয়া, গলা সুড়সুড় করা; স্বরভা। কথা কহিলে, গান গাহিলে বা হাসিলে কাসির বৃদ্ধি:

    গরম পানাহারে উপশম।

    হিপার-সাফার ৬-৩০। অজীর্ণতাসহ পুরাতন কাসি; স্বরভঙ্গসহ

    বিরক্তিকর শ্বাসরোধক কাসি, ঠান্ডা লাগিলে বা ঠান্ডা জিনিস পানাহারে কাসির বৃদ্ধি। গলায় যেন কিছু আটকাইয়া আছে এইরূপ বোধ এবং সেই-জন্য ঢোক গিলিতে কষ্ট। শুইলে, কথা কহিলে, কাঁদিলে বা ঠান্ডা বাতাস

    লাগিলে কাসি বাড়ে। কাসির পর হাঁচি।

    হায়োসায়েমাস ৬। স্নায়বিক আক্ষেপ জনিত শুষ্ক কাসি: রাত্রিতে

    শয়ন করিলে কাসির বৃদ্ধি এবং উঠিয়া বসিলে কাসির হ্রাস। শিশু, বৃদ্ধ ও হিস্টিরিয়াগ্রস্তা নারীর পক্ষে বেশী উপযোগী। গলা কুটকুট করিয়া কাসি:

    মনে হয় আজিহ্বা খুব বাড়িয়াছে।

    ইগ্নেসিয়া ৬। শুষ্ক আছেপযুক্ত খুব ঘন ঘন কাসি, কাসিতে কাসিতে কাসির ইচ্ছাবৃদ্ধি। ঘন ঘন দীর্ঘনিঃশ্বাস। হিস্টিরিয়া বা গুলবায়ুগ্রস্তা রোগিণীর কাসি: কাসির জন্য নিদ্রার ব্যাঘাত: কণ্ঠনালী পুরতুর করিয়া নড়ে: কাসিলে গলার খুসখুসি বাড়ে: সন্ধ্যাকালে কাসি বাড়ে। গয়ার খুব কম উঠে।

    কেলি-বাইকুম ৬। কাসি. দৃঢ় রজ্জবৎ ও চটচটে (কখনও বা রক্ত-৩৬৭

    কাসি

    089

    মিশ্রিত) কফ উঠা: সাই-সাঁই বা হাঁস-ফাস করা, শ্বাসকষ্ট; কাসির পর মাথাঘোরা: নিদ্রাভঙ্গ বা আহারের পর কাসি বাড়ে।

    নাক্স-ভূমিকা ৬-৩০। কাসিবার সময় পাকস্থলীতে বেদনা

    শিরঃপীড়া: শাসনলীতে জজালাকর-প্রদাহ; আঠা আঠা শ্লেষ্মা নিঃসরণ: অতি প্রত্যুষে, আহারান্তে, নড়িলে-চড়িলে বা জোরে নিঃশ্বাস ফেলিলে কাসির বৃদ্ধি: কাসির জন্য নিদ্রার ব্যাঘাত বিশেষতঃ মধ্যরাত্রিতে। 6

    ফস্ফোরাস ৬। গলা খুসখুস করিয়া শুষ্ক কাসি: স্বরভঙ্গ; বন্ধুঃস্থলে বেদনা; ফেনাযুক্ত ও আঠা আঠা পূজময় লবণাস্বাদবিশিষ্ট লেমা-স্রাব; লোহার মরিচার মত কিম্বা ইটের গুঁড়ার ন্যায় বর্ণবিশিষ্ট শ্লেষ্মাস্রাব: পাঠ করিলে, কথা কহিলে, হাসিলে, নড়িলে-চড়িলে বা গরম স্থান হইতে ঠান্ডা স্থানে গেলে কাসির বৃদ্ধি।

    পাসেটিলা ৬-৩০। শ্লেষ্ম-সঞ্চয়বশতঃ শ্বাসকষ্ট: পলায় ঘড়ঘড়

    শব্দ: দিবাভাগে হরিদ্রাবর্ণ তিক্ত শ্লেষ্মাস্রাব: রাত্রিতে এবং শয়ন করিলে

    শুষ্ক করসি: বহিবায়ুতে কাসির উপশম।

    অ্যাকালিফা ৪, ৩, ৩০। রক্তোৎকাস, শুষ্ক ও শক্ত কষ্টকর পয়ার এবং সময় সময় রক্তলাঞ্ছিত প্রায়ই জর থাকে না।

    জ্যান্টিসিয়া-আচাটোডা ৪, ৩, ৩০। যুগপৎ কাসি ও হাঁচি। স্বরভঙ্গ,

    স্বরনলী বেদনাযুক্ত। দম আটকান কাসির বেগ। নূতন ও পুরাতন সকল

    প্রকার কাসিতেই ইহা উপযোগী।

    “সর্দি”, “ব্রঙ্কাইটিস”, “হাঁপানি”, “নিউমোনিয়া” প্রভৃতি রোগ দ্রষ্টব্য। কোরালিয়াম-রুব্রাম ৬, ব্রোমিয়াম ৬, অ্যামন-কার্ব ৬০, অ্যালিয়াম-সেপা ৬. আয়োডিয়াম ৩০, লাইকো ৩০. লোবেলিয়া ৪. সেনেগা ও (প্রতি মাত্রায় পাঁচ ফোঁটা), ষ্ট্যানাম ৬ প্রভৃতি সময় সময় আবশ্যক হইতে পারে।

    পালনীয় নিয়ম। রুদ্ধ আর্দ্র বায়ু অথবা জনাকীর্ণ স্থানের বায়ু পরিত্যাজ্য। প্রাতঃকালে মুক্তবায়ুতে ভ্রমণ ও লঘু ব্যায়াম। প্রাতেঃ শীতল জলে স্নান পুরাতন কাসি নিবারণের পক্ষে ভাল। অধিক রৌদ্র লাগান অনিষ্টকর।

    পথ্য। ভাত, রুটী, ছাগ বা কচ্ছপ মাংস, মৃগে. কলাই বা কূলস্থ কলাইয়ের যায, দুগ্ধ (বিশেষতঃ ছাগ-দুদ্ধ), বেতোশাক, কচি মূলা, বাসক৩৪৮

    হোমিও পারিবারিক চিকিৎসা

    কন্টিকারী, ছোট এলাচ, রসুন, হরীতকী, খৈ, মধু, মিছরী প্রভৃতি। টক ওবা, বরফ, আইসক্রীম, গুরুপাক দ্রব্য যাহাতে পেটের গোলমাল বা পেটে বায়ু হয় তাহা বর্জনীয়।

    হুপিংকাসি বা চুপকাস (Whooping Cough) “শিশুগণের পীড়া ও চিকিৎসা” দ্রষ্টব্য।

    জয়কাসির জন্য “যক্ষ্মাকাস” অধ্যায় দ্রষ্টব্য। বিশদ বিবরণের জন্য আমাদের “ক্ষয়রোগ চিকিৎসা” পুস্তক পাঠ করিতে অনুরোধ করি।

  • অনিদ্রা

    অনিদ্রা

    (Sleeplessness)

    ইহা অনেক সময়ে অন্য রোগের লক্ষণ মাত্র। মস্তকে রক্তাধিক্য ও পা ঠান্ডা হওয়া, অতি ভোজন, উপবাস, অতিরিক্ত চা বা কাফি পান, কোষ্ঠবন্ধতা, মানসিক উত্তেজনা, দুশ্চিন্তা প্রভৃতি কারণে অনিদ্রা ঘটে।

    চিকিৎসা

    কফিয়া ৬, ৩০।-এই রোগের উত্তম ঔষধ, বিশেষতঃ যে কোনও কারণে হন উত্তেজিত হইলে।

    ইয়েসিয়া ৬, ৩০। দুঃখ, মনস্তাপ প্রভৃতি কারণে নিদ্রা না হইলে, ক্রমাগত চমকিয়া উঠা হেতু নিদ্রার ব্যাঘাত।

    ক্যামোমিয়া ১২। দস্তোদ্যমকালে শিশুর অনিদ্রা; হাই তুলে, ঘুমে চোখ জড়াইয়া আসে, কিন্তু ঘুমায় না। অনিদ্রা ও অস্থিরতা।

    বেলেডোনা ৩। ক্যামোমিলা বিফল হইলে। অতিরিক্ত চিন্তা জনিত অনিদ্রা; চন্দ্রাবেশ, কিন্তু ঘুম হয় না।

    ওপিয়াম ৩০। অনিদ্রা, শ্রবণশক্তির প্রখরতা, দূরাগত শব্দ এমন কি ঘড়ির টিকটিক শব্দও তাহার ঘুমের ব্যাঘাত জন্মায়।

    নাক্স-ভমিকা ৬, ৩০৭ রাত্রি দুইটা-তিনটার সময় ঘুম ভাঙ্গিয়া অনেকক্ষণ পর্য্যন্ত নিদ্রাহীনতা, পরে নিদ্রা; অতি-ভোজন বা কোষ্ঠকাঠিন্য

    হেতু অনিদ্রা, অধ্যয়ন, নেশা করা বা বদহজমজনিত অনিদ্রা।

    ভিরেট্রাম-অ্যাল ৩০। ভয় পাইয়া চমকান হেতু নিদ্রার ব্যাঘাত।

    লাইকোপোডিয়াম ৩০। মধ্যাহ্ন ভোজনের পরই নিদ্রাতুর, নিদ্রা যাইবার

    প্রবল ইচ্ছা; নিদ্রাভঙ্গের পরই নিতান্ত ক্লান্তিবোধ। দিনের বেলা নিদ্রালু, রাত্রিকালে অনিদ্রা।

    ককিউল্লাস ৩০।-চচ্ছ মুদিত করিলেই ভীতিপ্রদ স্বপ্ন দর্শন, নিদ্রার ইচ্ছা, কিন্তু নিদ্রা যাইতে আশঙ্কা।

    ব্রাইওনিয়া ৬, ৩০। বিষয়-কর্ম, ব্যবসায়-বাণিজ্য, লেখাপড়াদি দিনে সমাপ্ত করিয়া রাত্রে ঐ বিষয়ের চিন্তার জন্য বা স্বপ্নে ঐ বিষয় দেখার জন্য অনিদ্রা। অ্যাম্মা-গ্রিসিয়া ৩০।

    পাস্সেটিলা ৬, ৩০।-রাত্রির প্রথম ভাগে অনিদ্রা।

    সিনা ২০, ২০০। ক্রিমিজনিত অনিদ্রা।

    অনিদ্রা। অরাম ৬, নাইট্রিক-অ্যাসিড ৬। -উপদংশ বা পারদ সেবন জনিত

    চায়না ৬, ৩০।-রক্তস্রাব বা ভেদ হওয়ার ফলে দুর্বলতা জনিত অনিন্দ্রা; চা-পান জনিত অনিদ্রা।

    কেলি-ফস ৬০, ৩০০। বুদ্ধিজীবীদের ও ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তা, দুর্ভাবনা জনিত অনিদ্রায় বিশেষ ফলপ্রদ।

    ল্যাকেসিস ৬, ৩০। সুনিদ্রা হয় না, স্বপ্নপূর্ণ হুণনিদ্রা, প্রায়ই

    ঘুম ভাঙ্গিয়া যায়। কিছুতেই ঘুম হয় না, যদি বা হয় একবার ভাঙ্গিলে আর ঘুমাইতে পারে না। ঘুম ভাঙ্গিবার পরই মন বড় খারাপ হয়।

    অ্যাভেনা-স্যাটাইভা বিশেষ কারণ খপুজিয়া না পাইলে। (প্রতি মাত্রায় ৩-৬ ফোঁটা)। অনিদ্রায় কোন

    প্যাসিয়োরা-ইন্‌কার নেটা ৪।-অনিদ্রার একটি মহৌষধ; প্রতি মাত্রায় মূল-অরিষ্ট এক ফোঁটা হইতে ৩০ ফোঁটা অবস্থাভেদে সেব্য।

    অ্যাকোনাইট ৩০ (অস্থিরতা হেতু অনিদ্রা); ওপিয়াম, সাইপ্রি-পিডিয়াম, ফস্ফোরাস ৩ (বৃদ্ধদিগের অনিদ্রায়); সিপিয়া ১২ ও সিনিসিও ৩ (স্ত্রীলোকদিগের বস্তিকোটরদেশের গোলযোগ জনিত অনিদ্রা); ফেরাম ৬ ও থুজা ৬ (চা-পান বা রক্তাল্পতা জনিত অনিদ্রা); কেলি-ব্রোমেটাম, আর্স’, কেলি-আয়োড, ক্যাম্ফার প্রভৃতি লক্ষণানুসারে ব্যবস্থেয়। রক্তসঞ্চয় জনিত অনিদ্রায় -ফেরাম-ফস ৩০ দীর্ঘকাল সেব্য। রাত্রি ২টা হইতে ৫টা পর্যন্ত অনিদ্রায়

    -সাল্ফার ৩০ হিতকর। প্যাসিন্ধোরা ব্যতীত অনিদ্রার ঔষধগুলি সাধারণতঃ উচ্চক্রমে ব্যবহৃত হইয়া থাকে।

    আনুষঙ্গিক চিকিৎসা। শয়নের পূর্বে মুখ, কপাল ও ঘাড়ের পশ্চাদ্ভাগ এবং কর্ণ ও পদদ্বয় শীতল জলে ধুইয়া আর্দ্র’ বস্ত্র (বা গরম জল) দিয়া সমস্ত শরীর মুছিয়া ফেলিলে বা শীতল বায়তে কিছুক্ষণ বেড়াইলে সুনিদ্রা হইতে পারে। উচু বালিশে মাথা রাখিয়া শয়নে সুনিদ্রার ব্যাঘাত ঘটে। পায়ের চলায় গরম সরিষার তৈল মালিশ করা উপকারী।

    পালনীয় নিয়ম। কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখা এবং নিস্তব্ধ ও শীতল কক্ষে

    শয়ন; দুশ্চিন্তা হইতে বিরত থাকা কর্তব্য। আহারে সতর্কতা প্রয়োজন। পেটে বায়ু না হয় বা বদহজম না হয়। লঘু ব্যায়াম হিতকর। গুরুপাক খাদ্য ও মাদকদ্রব্য অনিষ্টকর।

  • আঙ্গুলহাড়া (Whitlow)

    হোমিও পারিবারিক চিকিৎসা

    আঙ্গুলহাড়া (Whitlow)

    নখ খুব ছোট করিয়া কাটিলে, আঘাত লাগিলে বা পুড়িয়া গেলে অথবা কোন বিষাক্ত পদার্থ রক্তে প্রবেশ করিলে, আঙ্গুলের অগ্রভাগ প্রদাহযুক্ত হইয়া উহাতে পূজসঞ্চার হয়-ইহারই নাম আঙ্গুলহাড়া। পুজ ঠিক চর্ম’নিম্নস্থ স্থান হইতে অস্থি-আবরণীর (periosteum) ভিতর পর্যান্ত যে কোনও স্থানে জন্মিতে পারে। এই রোগের প্রধান উল্লেখযোগ্য উপসর্গ-প্রদাহের তুলনায় যন্ত্রণার অস্বাভাবিক আধিক্য। সময়ে সূচিকিৎসা না হইলে ফল মারাত্মক হইতে পারে।

    চিকিৎসা

    আঙ্গুলহাড়া হইবার উপক্রমে, লবণ মিশ্রিত উষ্ণ জলে আঙ্গুলটি বারম্বার ডুবাইয়া রাখা এবং সাইলিসিয়া ৩.৭ এবং পরে ৩০ সেবন বিধি। জর থাকিলে সাইলিসিয়ার সহিত বেলেডোনা ৬ (পৰ্য্যায়ক্রমে)। আঙ্গুলের অগ্রভাগ অতিশয় ফীত হইয়া ঈষৎ কৃষ্ণবর্ণ হইলে এবং জালা ও বেদনা থাকিলে আর্সেনিক ৬ কিন্তু নীলবর্ণ’ হইলে ল্যাকেসিস ৬। (পৗঁড়ার প্রথম অবস্থায়) অসহ্য যন্ত্রণা উপস্থিত হইলে মার্ক-সল ৬, হিপার সাল্ফার ৬. জ্যামোনিয়াম ৬, অ্যামন-কার্ব ২০০ বা বোরিক-অ্যাসিড ৬। অ্যথ্যাক্সিন ৩০, এপিস ৩. গ্র্যাফাইটিস ৬, স্যাঙ্গুইনেরিয়া ১০, ব্রাইয়োনিয়া ৬. কষ্টিকাম ৬, লেডাম ৩ প্রভৃতি ঔষধও সময় সময় আবশ্যক হইতে পারে। নাইট্রিক-অ্যাসিড ৪. ডায়োস্কোরিয়াও বা ফস্ফোরাস ও আক্রান্ত স্থানে লাগাইলে যন্ত্রণার লাঘব হয়।

    আনুষঙ্গিক চিকিৎসা-একটি কূলি বেগুন বোঁটার কাছে কাটিয়া ঐ মুখ দিয়া বেগুনের মধ্যভাগ হইতে শাঁস ফেলিয়া দিয়া সেই শূন্যগর্ভবেগুন বা একটি পাতিলেবু ঐভাবে কুরিয়া ঐটি আঙ্গুলের উপর টুপির মত বসাইয়া দিলে যন্ত্রণার উপশম হইতে পারে। নিমের পুলটিস গরম গরম ব্যান্ডেজ বা ন্যাকড়া বারা প্রয়োগ করিলেও রোগের উপশম হইতে পারে। হাত, গলার সঙ্গে ফুলাইয়া রাখা আবশ্যক যেন আক্রান্ত অঙ্গুলীতে ঝাকুনি না লাগে। পূজ জন্মিলে অস্ত্র চিকিৎসকের সাহায্য বিধেয় এবং ঘা সারিয়া না যাওয়া পর্য্যন্ত ক্যান্ডেলা-ধাবন দ্বারা ধুইয়া দেওয়া কর্তব্য।

  • জননেন্দ্রিয়ের দৌর্বল্য ও সঙ্গমে বিতৃষ্ণা-

    জননেন্দ্রিয়ের দৌর্বল্য ও সঙ্গমে বিতৃষ্ণা-অ্যাসিড-ফস ১, ৬ ও জেন্স ১ম, ৩-পুং-জননেন্দ্রিয়ের দুর্বলতায়; এবং অ্যামন-কার্ব ৩৪ বা গ্র্যাফাইটিস ৬ স্ত্রীলোকের সঙ্গম-বিতৃষ্ণায়। অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা অতিরিক্ত ইন্দ্রিয়-পরিচালনার জন্য পুরুষের সঙ্গমেন্দ্রিয় নিতান্ত দুর্বল বা অসাড় হইয়া পড়িলে স্যাবাল-সেরুলেটা (প্রতি মাত্রায় পাঁচ ফোঁটা হইতে সাত ফোঁটা) প্রত্যহ দুইবার সেবনে প্রায়ই সুফল পাওয়া যায়।

    আংশিক অসামর্থ্যতায় ক্যাঙ্কে-কার্ব ৬; সম্পূর্ণ অসামর্থ্যতায়-জেন্স ৬ (বিশেষতঃ সঙ্গমেন্দ্রিয় শিথিল বা অসাড় বোধ হইলে)। অ্যাসিড-নাইট্রিক ৬, ৩০ বা অ্যাপ্লাস-ক্যান্টাস ১। “ধজভঙ্গ” দ্রষ্টব্য।

  • অক্ষুধা

    অক্ষুধা

    (Loss of Appetite)

    ম্যা বা অল-অজীর্ণ’ রোগে (অথবা কোন পুরাতন পীড়াসহ) ক্ষুধা কমিয়া যায়, এমন কি কখন কখনও সম্পূর্ণরূপে লুপ্ত হয়। আমরা এরূপ হলে শুন্সিয়ানা-লুটিয়া ও অর্থ ফোঁটা (আহারের অর্ধঘণ্টা পূর্বে) সেবনের ব্যবস্থা করিয়া আশাতীত ফল পাইয়া আসিতেছি। জেন্সিয়ানা বিফল হইলে হাইজ্যাষ্টিস্, অ্যান্টিম-ক্রুড, নাক্স-তম, প্রুণাস-স্পাই, ইয়েসিয়া বা রাস-উক্স ব্যবস্থা।

    আনুষঙ্গিক চিকিৎসা।- সহ্যমত সকালে-বিকালে মুক্তবায়ুতে ভ্রমণ,

    প্রাতঃকালে শীতল জল পান, কমলালেবু, মুছবি প্রভৃতি জাতীয় ফলের রস পান হিতকর। পথ্যাদির পরিবর্ত’ন করিয়া রুচি বৃদ্ধির চেষ্টা করা যাইতে পারে।

  • অজীর্ণতা-জনিত শিরোঘূর্ণন

    (ভার্টিগো)

    অজীর্ণতা-জনিত শিরোঘূর্ণন

    (ভার্টিগো)

    অজীর্ণতা বা পাকাশয়ের গোলমালজনিত “মুদ, প্রকৃতির” শিরোশন হইয়া থাকে; “উৎকট” শিরোঘূর্ণন ঘটিলে বুঝিতে হইবে যে, মস্তিাত হৃৎপিণ্ড বা মূত্র-গ্রন্থির কোন পাঁড়ার সহিত ইহা সংশ্লিষ্ট। মস্তিষ্কেন গঠন-পরিবর্ত’নাদি কারণে “সিরোঘূর্ণন” হইতে পারে।

    সংক্ষিপ্ত চিকিৎসা। অজীর্ণতা জনিত শিরোণ’নে নাগ-তম, পালন ব্রাইয়ো প্রভৃতি অজীর্ণ রোগের ঔষধ প্রযোজ্য।

    অত্যধিক মানসিক পরিশ্রমজনিত মস্তিষ্কের দৌর্বল্যহেতু শিরোঘূর্ণনে ফস্কো-অ্যাসিড, চায়না, কম্ফো, জিঙ্ক প্রভৃতি ফলপ্রদ।

    মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চয় জনিত শিরোঘূর্ণনে-বেলেডোনা, জেল্সিমিয়া গ্লোনইনাম, ককিউলাস প্রভৃতি ঔষধ উপকারী (স্নায়ুমণ্ডলের রোগাধ্যাে “শিরোঘূর্ণন” দ্রষ্টব্য)।

    কর্তব্য। পালনীয় নিয়ম। বিশ্রাম এবং যতটা সম্ভৰ স্থির হইয়া শুইয়া থাক

    অপধা। গুরপাক দ্রব্য, ঘি. তৈল, মাংস, ডিম, মশলাযুক্ত খাদ প্রভৃতি।

  • অজীর্ণ-রোগ

    (Dyspepsia or Indigestion)

    অজীর্ণ-রোগ

    (Dyspepsia or Indigestion)

    পরিপাক ক্রিয়ার বৈলক্ষণ্যই

    “অজীর্ণতা”। ক্ষুধামান্দ্য, পেটফাপা কোষ্ঠবন্ধতা বা উদরাময়, উদ্ধার উঠা, বমনোদ্বেগ বা বমন, বুক-জালা বা গলা-জবালা, পেটভার, মুখ দিয়া জল উঠা, আহারান্তে পেটবেদনা, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ, মাথাব্যথা, বুক ধড়ফড় করা, নিদ্রাবস্থায় বোবায় ধরা প্রভৃতি এই রোগের প্রধান লক্ষণ। এই রোগ হইতে ক্রমে বাত, বহুমূত্রাদি বহুবিধ উৎকট পীড়ার উৎপত্তি হইতে পারে। পাকাশয় সুস্থ রাখিতে হইলে পানাহারে সংযম ও সতর্কতা এবং পরিমিত শ্রম ও বিশ্রামের প্রতি সবিশেষ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন ।

    কারণ।—অপরিমিত তৈলাক্ত বা ঘৃতাক্ত গুরুপাক দ্রব্য ভোজন, অসময়ে আহার, খাদ্যদ্রব্য উত্তমরূপে চর্বণ না করিয়া উদরস্থ করা, দীর্ঘকাল যাবৎ নানাপ্রকার ঔষধ সেবনে, অতিরিক্ত তামাক, চা বা মদ্যপান, অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রম অথবা একেবারে পরিশ্রম না করা, অস্বাস্থ্যকর স্থানে বা গৃহে বাস, ঠাণ্ডা লাগান, সর্বদা অম্ল বা আচার খাওয়া, কোমরে কাপড় খুব অটিয়া পরা, রক্তস্বল্পতা, মন অপ্রফল থাকা। সোরা ধাতুগ্রস্ত ব্যক্তিগণ প্রায়ই অজীর্ণ রোগে ভুগিয়া থাকে—ইহাদের চর্মরোগ প্রকাশ পাইলে অজীর্ণতা কমিয়া যায়।

    সংক্ষিপ্ত চিকিৎসা

    (১) তৰুণ অজীর্ণ রোগে।- নাক্স, আর্স, ব্রাইয়ো, বিস্মাথ (রাত্রিতে ক্রমাগত দারুণ যন্ত্রণা ; আক্ষেপ ) ; পাল্স (গুরুপাক বা চর্বিযুক্ত আহারের পর অজীর্ণতা) ; আইরিস ( বমন ও উদরাময়সহ শিরঃপীড়া) ; কলোসিন্থ ( টক ফল-মূল খাওয়া হেতু অজীর্ণতা )।

    ;

    (২) পুরাতন অজীর্ণ রোগে।—নাক্স-ভম, আর্স, ব্রাইয়ো, কার্বো-ভেজ, পাল্স, সাফ, ক্যাল্কে-কার্ব, মার্ক, কেলি-বাই, আর্ণিকা, থ,জা, অ্যান্টিম- ফ্রড, লাইকো, থিয়া (চা-পানজনিত অজীর্ণতায় )।

    অজীর্ণ-রোগ

    ২০৩

    (৩) ঠাণ্ডা লাগা হেতু অজীর্ণতায়-অ্যাকোন, ডাকা, মার্ক’। (৪) মানসিক ভাবাদির আতিশয্য-জনিত অজীর্ণতায়-নাঙ্গ-ভম, দূর্ভাবনা ও রাত্রি জাগরণ হেতু অজীর্ণতা— ইগ্নেসিয়া । (৫) দৌর্বল্য-জনিত অজীর্ণতায় চায়না, অ্যাসিড-ফস, ফেরাম।

    কয়েকটি প্রধান ঔষধের লক্ষণ

    নাক্স ভমিকা ৩x – ৩০। আহারের কিছুক্ষণ পর পাকস্থলীতে ভারবোধ ও বেদনা ; বুক-জালা, পেট-ফাঁপা অলোশার ; বারবার ভুক্তদ্রব্য বা পিত্ত- বমন, মুখে তিক্ত অম্লাস্বাদ ; আহারের পর তন্দ্রাবেশ ও আলস্য; প্রাতঃকালে মাথাধরা ও মাথাঘোরা ; বারম্বার মলত্যাগের ইচ্ছা, কিন্তু মল নিঃসরণ হয় না; মুখমণ্ডল ঈষৎ হরিদ্রাভ। তাম্রকট সেবন, মদ্যপান ও বহু প্রকার “গরা”

    ঔষধ সেবন—নাক্স-ভম ১x ফলপ্রদ।

    নেট্রাম-মিউর ১২x চূর্ণ, ৩০।– আলু,, ময়দা প্রভৃতি শ্বেতসারজাতীয় দ্রব্য অধিক পরিমাণে ভোজন-জনিত অজীর্ণতা। মুখ দিয়া জল উঠা, মুখে তিক্ত আস্বাদ, বুক-জালা, শীতবোধ, আহারের পর বুক ধড়ফড় করা ; রক্ত- হীনতা লবণ খাইতে প্রবল ইচ্ছা, কোষ্ঠকাঠিন্য ; অতিরিক্ত ইন্দ্রিয়-চালনা জনিত

    উদরাময়ে ।

    19

    পাল্সেটিলা ৩x – ৩০।–বুক-জালা, বমনেচ্ছা, শিরোঘূর্ণন, জিহ্বা শূষ্ক ও খসখসে, ঘন ঘন তরল বা আমময় ভেদ, মুখে লবণাক্ত, তিক্ত বা অম্লস্বাদ ; শীতবোধ ; বিশেষতঃ অধিক তৈল বা ঘৃতপক্ষ দ্রব্য আহারজনিত অজীর্ণতা ; ফল, পিষ্টক, আইসক্রীম বা কুম্পি-বরফ খাওয়া হেতু অজীর্ণতা। মৃদু-প্রকৃতিবিশিষ্ট নারীগণের বা যাহারা ঋতুর গোলযোগ-জনিত উপসর্গাদিতে ভুগিতেছে, তাহাদের পক্ষে ইহা বিশেষ উপযোগী।

    এবিস নাইগ্রা 3x । – আহারের পর পাকাশয়ে দারুণ যন্ত্রণা ; কোষ্ঠ- কাঠিন্য : বৃদ্ধদিগের অজীর্ণ রোগ।

    অ্যানাকার্ডিয়াম ৩।- আহারের অব্যবহিত পরেই রোগীর যন্ত্রণার সাময়িক উপশম, কিছুক্ষণ পরেই পুনরায় উদরে বেদনা।

    হাইড্রাষ্টিস ১x, ৩x, ৩০।– হলদে চটচটে জিহ্বা, মুখমণ্ডল মলিন দেখায়, পেট “পড়িয়া থাকে।” পেটে শূলবেদনার ন্যায় কষ্টকর যাতনা

    208

    হোমিও পারিবারিক চিকিৎসা

    শাক-সব্জী বা রুটি খাইলে অম্ল, অজীর্ণতা ও দূর্বলতা বাড়ে। পাকস্থলী পূর্ণ ও ভারবোধ, কোষ্ঠকাঠিন্য, শিরঃপীড়া (বিশেষতঃ কপালে) অन- উশার, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় করা।

    নেট্রাম-ফস ৩x—– ১২ চূর্ণ। অম্ল-রোগ; অল-উদ্ধার ও

    ক্রিমি থাকিলে বিশেষ উপযোগী।

    বমন ;

    আর্সেনিক ৩x–৬।— পাকস্থলীতে অত্যন্ত জালাবোধ ; অত্যুষ্ণ জল পানে উপশম : বরফ খাইয়া অজীর্ণ-রোগ।

    ব্রাইয়োনিয়া ৬। —— আহারান্তে পাকস্থলীতে ভারবোধ, মনে হয় যেন পাকস্থলীতে একখণ্ড পাথর চাপান আছে ; কোষ্ঠকাঠিন্য, মল কঠিন, শুষ্ক ও দগ্ধবৎ (দেখিতে ঝামার মত); মাথাঘোরা, মাথাধরা, পাকাশয়ে খোঁচা-বে ধার মত বেদনা ; মুখে তিক্ত বা অল-আস্বাদ এবং পিত্ত-বমন বা বমনেচ্ছা। গ্রীষ্ম- কালীন উদরাময় ; বিশেষতঃ আর্সেনিকের অপব্যবহার জনিত অগ্নিমান্দ্য ; একগুয়ে বা খিটখিটে মেজাজ।

    ;

    লাইকোপোডিয়াম ৬, ৩০, ২০০।– মলদ্বার দিয়া বায়ু নিঃসরণ ; নিবীর্য্য রোগীর অজীর্ণ, ভক্তদ্রব্য পরিপাকের সময় অতিশয় তন্দ্রা ও নিদ্রাভঙ্গের পরই অবসন্নতা; উদরে বায়ু সঞ্চয় হেতু পেটফাঁপা ; কোষ্ঠবদ্ধতা ; পেট ভুটভাট করা, অল-উজ্জার বা টক ঢেকুর; বামদিকের অস্ত্র কর্ণপিতে থাকা। দুর্বলতা বা অধ্যয়নাদিজনিত অপরিপাক ; পেশীর ক্ষমতা হ্রাস হইয়া বা পরিপাক-রসের অভাববশতঃ অজীর্ণ রোগ।

    কার্বো-ভেজ ৩x চূর্ণ, ৩০।–ঊর্ধ্ব দিকে বায়ু নিঃসরণ (ঢেকুর উঠা ) ; পেট-ফাঁপা, বুক-জ্বালা, উদরাময়, মাথাধরা ও দুর্বলতা; পুরাতন অগ্নিমান্দ্য বা বৃদ্ধদিগের অগ্নিমান্দ্য রোগে বিশেষ উপযোগী।

    মুখ দিয়া অবিরত স্বাদহীন জল উঠা বা কট, তিক্ত, ঝাল বা পচা গন্ধযুক্ত উপার উঠা ; কিম্বা পর্যায়ক্রমে উদরাময় ও কোষ্ঠবদ্ধতা উপসর্গে, কার্বো-ভেজ ৩x বিচূর্ণ।

    সিপিয়া ৬।পুরাতন অজীর্ণ রোগ (বিশেষতঃ জরায়ুদোষ থাকিলে ) মলদ্বারে ভারবোধ, টক বা তিক্ত আস্বাদ, অল, আচার প্রভৃতি খাইবার ইচ্ছা, ত্বক মলিন ও হরিদ্রাবর্ণ।

    অ্যান্টিম-ফ্রড ৬।——পরিপাক-শক্তি হ্রাস; পাকস্থলীতে ভারবোধ; বমনেচ্ছা

    ২০৫

    এবং পিত্ত বা শ্লেষ্মা-বমন; দূগন্ধ বায়ু নিঃসরণ; ভুক্তদ্রব্যের আস্বাদবিশিষ্ট কোষ্ঠবদ্ধতা ও উদরাময় (পর্যায়ক্রমে ) ; মুখমণ্ডলে কুসকুড়ি বা নাসারন্ধ্রে ও ওষ্ঠে ক্ষত ; জিহ্বা সাদা পুরু ক্লেদারত। অরুচি, খাইবার পর

    উদর-স্ফীতি।

    ফোরাস ৩০। পুরাতন অজীর্ণ রোগ অল-উল্লার वा অल-वगन, অতিশয় ভূষা, পেটফাপা, জিহ্বা লেপাকৃত, পেটে জালাবোধ, জল পানে উপশম, কিন্তু জলটকুও (পানের একটু পরেই) বমি হইয়া যায়। চায়না ৩X, ২০০।- ম্যালেরিয়াজনিত অজীর্ণতায় এবং দীর্ঘকাল সুরাপানজনিত পুরাতন অজীর্ণ রোগ, শোথ, যকৃৎ-প্রদাহ প্রভৃতি লক্ষণসহ । মার্ক সল ৩x, ৬, অ্যাকটিয়া-রেসিমোসা ৬ ও থিয়া ৩০। দীর্ঘকাল

    চা-পান হেতু অজীর্ণ রোগ।

    প্লাম্বাম ৬, ২০০। ঠাণ্ডা লাগা হেতু অগ্নিমান্দ্য। পেটে চাপবোধ : শক্ত জিনিষ খাইতে পারে না ; উদরশূল, কোষ্ঠকাঠিন্য।

    আর্জেন্ট-নাইট্টি ৬, ২০০।- রক্তহীনতা প্রভৃতি কারণে অজীর্ণ রোগ ;

    পাকাশয়ে বেদনাসহ অম্লরোগ, উদ্ধার।

    পূজা ৬, ৩০।–বেশী মাত্রায় চা-পান জনিত উপসর্গ ; ক্ষুধালোপ, আহারের পর পেটব্যথা ; উদরে বায়ু সঞ্চয় ; উপর পেটে ব্যথা ; পিপাসা, আলু, মাংস ও পেয়াজে অরুচি।

    ;

    কেলি-বাই ৬।—অধিক পরিমাণে “বিয়ার” নামক মদ্যপান জনিত উপসর্গ ; জলে বিতৃষ্ণা ; অলদ্রব্য খাইতে ইচ্ছা ; আহারের পর এবং মুক্তবায়ু সেবনে বমনেচ্ছার উপশম, কিন্তু উদরে কৰ্ত্তনবৎ যন্ত্রণা; হরিদ্রাবর্ণ জলবৎ বমন ; মাংস অসহ্য, খাইবার পর পেটে ভারবোধ।

    ;

    নাক্স-মস্কেটা ২x–৬।–বাহ্য ঔষধাদি প্রয়োগে চর্মরোগ বসিয়া গিয়া অজীর্ণ হইলে ; আহারের পরই শূলবৎ পেটব্যথা (কেলি-বাই)। পেটে খেচুনি, পেটে জালা ও পেট গরম ; উদর পূর্ণ, তজ্জন্য শ্বাসকষ্ট। বৃদ্ধ ব্যক্তিদিগের অজীর্ণ রোগ।

    হিপার-সাফার ৬ বা ১২।——পুরাতন অজীর্ণ রোগে যখন আর কোন দ্রব্যই পরিপাক হয় না। টক বা আচার খাইবার ইচ্ছা ; পারদ অপব্যবহার জনিত অগ্নিমান্দ্য।

    সাফার ৩০, ২০০।—অম্ল-উগার ; পাকাশয়ে ভারবোধ, আহারান্তে তন্দ্রালুতা ; মুখপ্রান্তে এবং ওষ্ঠে ক্ষত ও স্ফীতি ; পুনঃ পুনঃ অজীর্ণতা ; প্রাতঃকালে সাফার ৩০ ও সূর্যাস্তকালে নাক্স- কোষ্ঠকাঠিন্য ও অর্শ । ভূমিকা ৩০–এই দুইটি ঔষধ অনুরূপভাবে প্রয়োগ করিয়া অজীর্ণ রোগে অনেক লব্ধপ্রতিষ্ঠ চিকিৎসক আশাতীত সফল পাইয়াছেন বলিয়া থাকেন ৷

    ক্যাল্কেরিয়া-কাৰ’ ৬, ১২ বা ৩০।–কট, অম্লোল্গার-বিশিষ্ট পুরাতন অগ্নিমান্দ্য ; কাসি ; ধীরে ধীরে শরীর শীর্ণ হইতে থাকা। প্রচুর ঋতুস্রাব । আহারের পরেই ভুক্তদ্রব্য অম্ল হইয়া যাওয়া ; অম্ল-উগার বা অম্ল-বমন। পাম্সেটিলা সেবনের পর ইহা উপযোগী।

    আইয়োডিয়াম ৬, পেট্রোলিয়াম ৬ সময়ে সময়ে আবশ্যক হয়। রোগ” দ্রষ্টব্য।

    “অম্ল-

    অবশ্য

    বায়োকেমিক মতে লক্ষণানুসারে নিম্নে বর্ণিত অজৈব লবণ প্রয়োগ দ্বারা পরিপাক দোষজনিত যাবতীয় পীড়া আরোগ্য হইয়া থাকে। বহুদিনের পাঁড়া আরোগ্য হওয়া সময় সাপেক্ষ, কিন্তু আহার বিহারে সংযম উপেক্ষা করিলে চিকিৎসাই ব্যর্থ হইবে।

    ফেরাম-ফস ৬x।—গ্যাস্ট্রাইটিস সহ বেদনা ও স্ফীতি, স্পর্শ অসহ্য ; অজীর্ণ খাদ্য বমন। জিহ্বা পরিষ্কার।

    কেলি-মিউর ৬x, ১২x । – জিহ্বা শ্বেত বা ধূসরাভ শ্বেত লেপাকৃত। যকৃতের দোষ ঘটিত অজীর্ণ রোগে শ্রেষ্ঠ ঔষধ। ঘৃতযুক্ত বা চর্বি সংযুক্ত গুরুপাক খাদ্য সেবনে পাকাশয় বিকৃতি, অস্বস্তিবোধ ও বিবমিষা।

    নেট্রাম-ফস ৬x – ৩০x — পাকাশয়ের ক্ষত। ‘বুকজালা” রোগে এই ঔষধসহ একান্তরক্রমে ‘ফেরাম-ফস’ প্রয়োগ ফলদায়ক।

    কেলি-ফস ৬x, ১২x । —— অবসাদসহ অজীর্ণরোগ, আধান ও উদ্ধার। ‘পাকাশয় পরিপোষক স্নায়ুর বিশৃঙ্খলা হেতু ক্ষত ; স্নায়বিক উপসর্গ। উদ্গার। একটা ক্ষুদ্রস্থানে নিরন্তর বেদনা।

    নেট্রাম-মি ১২x, ৩০x । — কোষ্ঠকাঠিন্য সহবত্তী অজীর্ণরোগ। রুটি, খাইতে অরুচি, রুটি সহ্য হয় না। গলা পর্যন্ত জল উঠে, কিন্তু টক নহে।

    কেলি-সাল্ফ ৬x, ১২x । — পুরাতন গ্যাস্ট্রাইটিস রোগের শ্রেষ্ঠ ঔষধ।

    ২০৭

    নেট্রাম-মি এবং

    পীতবর্ণ, পিচ্ছিল, ক্লেদাবৃত জিহ্বা ; মুখে বিকৃত স্বাদ। কেলি-মি ব্যর্থ হইলে কেলি-সাফ অনেক সময় সুন্দর কাজ দেয়।

    কয়েকটি বিশেষ লক্ষণের ঔষধ

    মুখ দিয়া জন উঠা। কার্বো-ভেজ ৩X চূর্ণ, ব্রাইয়োনিয়া ৬, ভূমিকা ৩০, লাইকোপোডিয়াম ৩০।

    ক্ষুধামান্দ্য। -ক্যাল্কে-কার্ব, চায়না, ফেরাম।

    রাক্ষুসে ক্ষুধা। চায়না, সিনা, আয়োড, নেট্রাম-মিউর। পেট-ফাঁপা। —লাইকোপোডিয়াম ( কোষ্ঠকাঠিন্যসহ ).

    (উদরাময়সহ)।

    #141-089

    বুক-জালা। –ক্যাঙ্কে-কার্ব ৬, ক্যাপ্সিকাম ৬, কার্বো-ভেজ ৬,

    নাক্স-ভ।মকা ৩০, পাল্সেটিলা ৩০।

    দুর্গন্ধ ঢেকুর উঠা।—কার্বো-ভেজ ৬. সাফার ৩০।

    অম্লরোগ।—অ্যাসিড-সাফ

    ২x৩০, ক্যাল্কেরিয়া-কার্ব ৬-00. নেট্রাম-ফস ৩x – ১২x চূর্ণ, ফস্ফোরাস ৬, রিউম ৩০. রোবিনিয়া ৩. ক্যারিকা-পেপেয়া (৫–১০ ফোঁটা) আহারান্তে সেব্য।

    হিক্কা । -অ্যাসিড-সাল্ফ ( অম্লরোগসহ হিক্কা ) ; নাক্স ভমিকা, আর্সে’- নিক, কলোফাইলাম, জেল্সিমিয়াম।

    বুক চাপা স্বপ্ন।——নাক্স ভমিকা ১x—৩০ (নেশা করা বা অজীর্ণতা হেতু ) ; চায়না ( স্বপ্নে বক্ষঃস্থলে বেশী চাপবোধ ); সাফার (স্বপ্নে বেশী বুক ধড়ফড় করা ) ।

    আহারাদির দোষে অজীর্ণ রোগ।—পিষ্টক, চর্বিযুক্ত, তৈলাক্ত বা ঘৃতপক্ক দ্রব্যাদি (লুচি, কচুরি, পোলাও প্রভৃতি) আহার বা অধিক পরিমাণে শীতল পানীয় পানহেতু অজীর্ণ রোগ—পাল্সেটিলা ৩–৬।

    কাফি বা মদ্য, বিশেষতঃ ‘হুইস্কি’ পান, রাত্রি জাগরণ, আফিং সেবন, চিংড়ি বা ডিমের শ্বেতাংশ ভোজনজনিত অজীর্ণ—নাক্স-ভম ৩x–৩০। দগ্ধ হজম হয় না ; বুগ্ধ পানে অজীর্ণতা ও পেটে কত্ত নিবং যন্ত্রণা— ইথুজা ৬।

    অম্ল বা টক খাইয়া অজীর্ণতায়—অ্যান্টিম-ক্রুড ৬।

    পচা মাছ-মাংস বা মাখন খাইয়া অজীর্ণতায় – কার্বো-ভেজ ৬।

    জন, কুলপি-বরফ ा বেশী

    জল খাইয়া অজীর্ণতায়-

    বরফ আর্সেনিক ৬।

    তরকারী খাইবার পর অজীর্ণতায়—সিপিয়া ৩০। লবণের অপব্যবহার জনিত অজীর্ণতায়—ফস্ফোরাস মিউর ৩০।

    ৬. নেট্রাম-

    ফুটি ও তরমুজ ভক্ষণ বা দূষিত-জল পান হেতু অজীর্ণ রোগ হইলে—জিঞ্জিবার ৩–৬।

    অতিরিক্ত ফল আহার হেতু অজীর্ণতা জন্মিলে, চায়না ৩ বা আর্সেনিক ৬ ( ফল পরিপাক না হইয়া অজীর্ণ অবস্থায় নির্গত হইতে থাকিলে ও পেটে জালা অনুভূত হইলে —চায়না সমধিক উপযোগী)।

    আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা। — প্রত্যহ প্রাতে ৪০।৫০টি চাউল মুখে দিয়া এক গ্লাস জল পান করা এবং পেটে উত্তমরূপে সরিষার তৈল মালিশ করা উপকারী। শুষ্ক মুড়ি খাওয়া উপকারী। প্রত্যহ অন্ততঃ ৩ মাইল ভ্রমণ কৰ্ত্তব্য। লঘু

    ব্যায়াম হিতকর।

    পালনীয় নিয়ম। —অজীর্ণ রোগে পথ্যাপথ্যের নিয়ম পালন না করিয়া কেবল ঔষধ সেবনে ফল হয় না । প্রত্যহ নির্দিষ্ট সময়ে স্নান-আহার করা বিধেয়। ভোজ্যদ্রব্য ধীরে ধীরে চর্বণ করিয়া গলাধঃকরণ করা উচিত। শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রমের অব্যবহিত পূর্বে বা পরে আহার হানিকর। গুরুপাক দ্রব্য (লঙ্কা বা গরম-মশলাযুক্ত কিম্বা তৈল ও ঘৃতাক্ত ব্যঞ্জনাদি ) যথা সম্ভব বর্জনীয়। দিবা-নিদ্রা, রাত্রি জাগরণ, অধিক রাত্রিতে ভোজন, রাত্রিতে আহার করিয়াই শয়ন পরিত্যাজ্য। পানের রসসহ লেবুর রস মিশাইয়া খাইলে অরুচি দমন হয়। আহারের তিন ঘণ্টা পরে কতকটা লেবুর রস জলসহ খাওয়া বিশেষ হিতকর। পোরের ভাত, ঘোল ও আনারসের রস সুপথ্য। আপেল (সিদ্ধ), আঙ্গুর, ডালিম, পেপে প্রভৃতি সুপাচ্য ফল খাইতে বাধা নাই। ডাবের জল ও নারিকেলের নরম শাঁস এই রোগে উপকারী। পুরাতন চাউলের ভাত বা চিড়া গরম জলে ভিজাইয়া দধি বা ঘোলের সহিত খাইলে অনেক সময় উপকার পাওয়া যায়। দধি এবং কর্ণচা পেপের তরকারি এবং কখন কখনও দুগ্ধ এই রোগে সপথ্য। জিনিষ, ডাল এবং চা, কফি ও কোকো প্রভৃতি অপথ্য। প্রতিবার আহারের

    “ভাজা”

    ২০৯

    বিশ-পচিশ মিনিট পূর্বে এক পোয়া আন্দাজ গরম জল পান করিলে, কখন কখনও অজীর্ণ রোগ সারিয়া যায়। ভোজনকালে অধিক পরিমাণে জল পান করা হানিকর ; ভোজনের দুই-তিন ঘণ্টা পরে জল পান করা হিতকর। অন্নব্যঞ্জনাদি সুসিদ্ধ হওয়া আবশ্যক। বেশী বাই-কার্বনেট-অব-সোডা বা চাপের জল কিবা অধিক মাত্রায় সোডা ওয়াটার ব্যবহার করা উচিত নহে। বরফ ও আইসক্র বিশেষ অপকারী। কেহ কেহ বলেন, ভোজনের পরই শিশুর ন্যায় ক্ষণকাল হামাগুড়ি দেওয়া বা শুইয়া কয়েকবার চিৎ-উপর হইয়া উলটি-পালটি খাওয়া

    হজমের সহায়ক।

    কাঁচা পেয়াজ ভক্ষণে পাচক রসের (gastric juice) অनত্ব বর্ণিত হয়। [ জার্মাণির অন্তঃপাতী মিউনিক নগরের সুপ্রসিদ্ধ ডাক্তার Wilbrands Report of experiment in the Muenchener Medizinsche Moch- enscrift দ্রষ্টব্য ]। যাহাদের অতিরিক্ত পরিমাণে পাচক রস ক্ষরণ হয় তাহাদের পক্ষে আহারের অন্ততঃ অৰ্দ্ধ ঘণ্টা পূর্বে খানিকটা করিয়া কাঁচা পেয়াজ খাইলে উপকার হইতে পারে।

    রাণীগঞ্জ, ছোটনাগপুর, সাঁওতাল-পরগণা প্রভৃতি যে যে স্থানের জলে বহুল পরিমাণে ধাতব বস্তু আছে (minerals) বিশেষ করিয়া অস্ত্র (Mica) আছে, সেই সেই স্থান যকৃৎ দোষযুক্ত অজীর্ণ রোগীর পক্ষে অনুপযোগী : এতাদশ রোগীর পক্ষে কাশী, বিন্ধ্যাচল বা ভুবনেশ্বরের মত স্থানসমূহ হিতকর।

    পথ্য। —লঘু ও পুষ্টিকর সুসিদ্ধ দ্রব্য এবং ফল সুপথ্য।

    অপথ্য।—ঘৃতপক্ব বা অধিক তৈলাক্ত দ্রব্য; মাংস, ডিম, গাঢ় দুষ্ক, চিংড়ি মাছ, কাঁকড়া, কাঁঠাল, মূলা প্রভৃতি অনিষ্টকর।

    ST

  • বর্ণানুক্রমিক সূচী (Index)


    বর্ণানুক্রমিক সূচী (Index)

    রোগের নাম বা বিশেষ লক্ষণ অনুসারে

    বিষয় | পৃষ্ঠা

    • অক্ষুধা – ২১১
    • অগ্নিদগ্ধের পর জ্বর – ৮৬৯
    • অঙ্গবিশেষের ঔষধ – ৯০২
    • অজীর্ণতা জনিত শিরোঘূর্ণন – ২৯০
    • অজীর্ণ রোগ – ২০২
    • অটাইটিস – ৫৩৭
    • অট্যালজিয়া – ৫৩৮
    • অটোরিয়া – ৫৪২
    • অণ্ডকোষের প্রদাহ ও বিবৃদ্ধি – ৬১৮
    • অতিরজঃ – ৭২৯
    • অনিদ্রা – ৪৭৬, ৭৭০
    • অনিয়মিত ঋতু – ৭২৬
    • অনুকম্প রজঃ – ৭২৭
    • অন্তিম কাল – ৬৮৮
    • অন্ত্র-প্রদাহ – ২৮৯
    • অন্ত্রবৃদ্ধি – ৩৬৮, ৮০৭
    • অন্ত্রাবরক ঝিল্লী-প্রদাহ – ২৯১
    • অন্ত্রে ক্ষয়রোগ বা গুটিকাদোষ – ৪৩৩
    • অন্নবহানলীর পুরাতন প্রদাহ – ৩০৫
    • অপস্মার বা মৃগীরোগ – ৪৮৫
    • অফথ্যালমিয়া – ৫২৪
    • অপূর্ণাঙ্গ মৈথুন – ৬২১
    • অবরুদ্ধ যোনি – ৭৫৮
    • অবাস্তব প্রত্যক্ষ – ৬৯১
    • অবিরাম জ্বর ও একজ্বর – ৯৩
    • অস্মৌলিক উচ্চ রক্তচাপ – ৫৬২
    • অল্প-রোগ – ২১১
    • অর্কাইটিস – ৬১৮
    • অন্ধদৃষ্টি – ৫২৮
    • অর্বুদ বা আব – ৪৫৭, ৮১০
    • অর্বুদ বা আব (কণে বৃত্যবিশিষ্ট) – ৫৩৯
    • অর্বুদ বা আব (জরায়ুর) – ৭৫০
    • অর্বুদ বা আব (ডিম্বকোষে) – ৭৫৫
    • অর্বুদ বা আব (স্তনে) – ৭৬৩
    • অরুণিমা – ৬৬২
    • অল্পদূর-দর্শন শক্তি – ৫২৮
    • অর্শ – ৩১২, ৭৭১, ৭৯৩
    • অসাড়ে মূত্রত্যাগ – ৬০৫
    • অহিফেন অপব্যবহার – ৭১৬
    • আইরাইটিস – ৫২৯
    • আইস-ক্রীম অপব্যবহার – ৭১৯
    • আকস্মিক দুর্ঘটনা ও প্রাথমিক চিকিৎসা – ৮৬৩
    • আক্ষেপ বা খেঁচুনী – ৪৯৮, ৭৯১
    • আগুনে পোড়া – ৮৬৪
    • আঘাত – ৮৬৭
    • আঘাত জনিত শরীরে বেদনা ও জ্বর – ৮৬৯
    • আঘাত মাথায় – ৮৭০
    • আঙ্গুল-হাড়া – ৬৭০
    • আঁচিল – ৬৬৪, ৮১০
    • আঞ্জনি – ৫৩০, ৮১৭
    • আঁতুড় ঘরে পোয়াতির শুশ্রূষা – ৭৮৭
    • আঁতুড়ে বাই – ৭৯৮
    • আন্ত্রিক-জ্বর – ১৩৪
    • আফটার পেইনস – ৭৮৯
    • আর্থরাইটিস-ডিফরমান্স – ৪৯৩
    • আফিং অপব্যবহার – ৭১৬
    • আফিং অপব্যবহার (বিষ-মাত্রায়) – ৮৮৫
    • আমবাত – ৬৫৩
    • আমাশয় – ২২৯
    • আমাশয় (অ্যামিবা জীবাণু ঘটিত) – ২২৯
    • আমাশয় (ব্যাাসিলারি) – ২৩২
    • আট রাইটিস – ৫৮৬
    • আর্টিকেরিয়া – ৬৫৩
    • আর্তব-ব্যাধি – ৭২৩
    • আরক্ত-জ্বর – ১৮৫
    • আরক্ত নাসা – ৫৪৮
    • আর্সেনিক-অপব্যবহার – ৭১৫
    • আলসার – ৬৬০
    • আলসারেশন অফ স্টমাক – ২৮৬, ২৯৯
    • অ্যাজমা – ৩২৯
    • অ্যাট্রফি-অফ-দি স্টমাক – ২৮৬
    • অ্যাট্রফি-অফ-দি মাস্কুলার – ৫১০
    • অ্যাপেন্ডিসাইটিস – ৩৭৮
    • অ্যাপেন্ডিসাইটিস পুরাতন – ৩৮১
    • অাফ্থি – ৩০৪
    • অ্যাফেসিয়া – ৩৫০
    • অ্যালবুমিনুরিয়া – ৫৯৭
    • আংশিক দৃষ্টি – ৫২৭
    • ইউটেরাইন ক্যান্সার – ৭৫০
    • ইউটেরাইন টিউমার – ৭৫০
    • ইউরিনারী ক্যালকুলাস – ৬০৮
    • ইউরিমিয়া – ৬০২
    • ইউরেথ্রাইটিস – ৫৯৮, ৬৩২
    • ইচিং-অভ-স্কিন – ৬৬৬
    • ইন্টারট্রিগো – ৬৬২, ৮১৩
    • ইন্টারমিটেন্ট ম্যালেরিয়া ফিভার – ১০৪
    • ইন্টেস্টিন্যাল টিউবারকুলোসিস – ৪৩৩
    • ইনডাইজেশন – ২০২
    • ইনফ্লুয়েঞ্জা – ৮৭
    • ইনসেনিটি – ৬৯০
    • ইম্পেটিগো – ৬৪৬
    • ইমপারফোরেটেড হাইমেন – ৭৫৮
    • ইনফ্লামেশন অব স্মল ইন্টেস্টাইন – ২৯০
    • ইম্পোটেন্স – ৬১৮
    • ইরেগুলার মেনস্ট্রুয়েশন – ৭২৬
    • ইরিটেশন – ৬৪৬
    • ইরিটেশন স্পাইনাল – ৫১৬
    • ইরিসিপেলাস – ৬৬৫, ৮১৩
    • ইলিউসান – ৬৯০
    • ইলেকট্রিক শক – ৮৭৬
    • ইয়ার ওয়াক্স – ৫৪৭
    • ইয়েলো ফিভার – ১৬১
    • উড্ডীন কীট – ৩৬৪
    • উদরাময় – ২২১, ৩৬৪, ৭৯৩, ৮০৪
    • উদরে বায়ু সঞ্চয় – ২১৯
    • উন্মাদ রোগ – ৬৯১, ৭৯৯
    • উন্মাদ অবাস্তব প্রত্যক্ষ – ৬৯১
    • উপঘাত (প্রবল) – ৮৭১
    • উপদংশ – ৬২২
    • উপমাংস বা গ্যাঁজ – ৬৬৪
    • উপাঙ্গ-প্রদাহ – ৩৭৮
    • উপাঙ্গ-প্রদাহ পুরাতন – ৩৮১
    • উল্টামুদা – ৬২০
    • উর্দ্ধ-বৃক্ক-কোষ ব্যাধি – ৬০৯
    • ঋতু – ৭২১
    • ঋতুশূল – ৭০১
    • একজফথ্যালমিক গয়টার – ৬৩৬
    • একজিমা – ৬৬৭, ৮১৩
    • একজ্বর ও অবিরাম জ্বর – ৯৩
    • একজ্বর সহ রক্ত স্বল্পতা – ৯৬
    • একশিরা বা কোষবৃদ্ধি – ৬১৫, ৮০৮
    • এক্সক্রেসেন্স – ৬৬৪
    • একান্ত বা সর্বাঙ্গ কম্পন – ৫০৮
    • একাঙ্গীন প্রমেহ – ৬৩২
    • এ্যাকিউট রিউমেটিজম্ – ৩৯৪
    • এ্যাকিউট লেরিন্জাইটিস – ৩১৯
    • এক্রোমিগ্যালি – ৬৩৮
    • এ্যাক্লাম্পসিয়া – ৭৯১
    • এডিলন্স-ডিজিজ – ৬৩৯
    • এডিনয়েড নাসা – ৫৪৩
    • এথিরোমা – ৫৪৬
    • এন্টারাইটিস – ২৮৯
    • এন্টিভেনাম সিরাম – ৮৮৯
    • এঞ্জেনা পেক্টোরিস – ৫৮০
    • এনথ্রাক্স – ৬৪৭
    • এলার্জ-স্প্লীন – ৩৯০
    • এলার্জমেন্ট-অভ-দি প্রস্টেট-গ্ল্যান্ড – ৬১৬
    • এনকেফেলাইটিস – ৮৬১

    পৃষ্ঠা ১১২৮

    • এনিউরিসজ্ম্ — ৫৮৭
    • এনিউরেসিস্ — ৬০৩
    • এনিমিয়া — ৪৪৮
    • এনিমিয়া প্রাইমারী — ৪৪৮
    • এনিমিয়া সেকেন্ডারী — ৪০৯
    • এপিডেমিক-ড্রপসি — ৫৯০
    • এপিলেপ্সি — ৪৮৫
    • এপিষ্ট্যাক্সিস্ — ৫৫০
    • এ্যাপোপ্লেক্সি — ৪৮২
    • এ্যাফোনিয়া — ৩৪৮
    • এবেসস্ — ৬৪০
    • এবেসস্ অভ-দি-রেণ্ট — ৭৬২
    • এবেসস্ ইন-মিয়েটাস্ — ৫৪০
    • এবরসান — ৭৭৪
    • এমিবিক ডিসেন্টি — ২২৯
    • এমিনোরিয়া — ৭২৫
    • এমিসন্স — ৬১২
    • এরিথিমা — ৬৬২
    • এলার্জি ও হোমিওপ্যাথি — ৩৪
    • এলিফেন্টিয়াসিস্ — ৬৬০
    • এসিডিটি — ২১১
    • এস্কোরিয়েসান — ৬৬৪
    • এ্যামিবা জীবাণু ঘটিত আমাশয় — ২২৯
    • ওজিনা — ৫৪৯
    • ওপিয়াম অপব্যবহার — ৭১৬
    • ওবেসিটি — ৬৮৪
    • ওভারাইটিস — ৭৫২
    • ওভারিয়ান টিউমার — ৭৫৫
    • ওভারিয়ান ড্রপ্সি — ৭২৪
    • ওভারেলেজিয়া — ৭৩৪
    • ওম্যানজিয়া — ৪০৪
    • ওয়ার্মস্ — ৩৬৫
    • ওয়াইন অপব্যবহার — ৭১৭
    • ওলউঠা—কলেরা — ২৪৫
    • ওষ্ঠ ব্রণ — ৮৯৪
    • ঔষধ — ৩৯
    • ঔষধ ক্রয় ও রক্ষা — ৮৯২
    • ঔষধ প্রস্তুত প্রণালী — ৮৯০
    • ঔষধ প্রয়োগ প্রকরণ — ৮৯১
    • ঔষধ প্রয়োগ বিধি — ৮৯২
    • ঔষধের ক্রম নিরূপণ — ৮৯২
    • ঔষধের মাত্রা নির্ণয় — ৮৯২
    • কঞ্জিগোডাইনিয়া — ৬১৮, ৮০১
    • কটিবাত বা কটিপেশীবাত — ৪০৬
    • কটিস্নায়ু-বাত বা গৃধ্রসী-বাত — ৪০৭
    • কন্টিনিউড-ফিভার — ৯০
    • কঠিন-ক্ষত উপদংশ — ৬২০
    • কণ্ঠতত্ত্বচয়ের বিবৃদ্ধি — ৫৬০
    • কণ্ঠনালীর আক্ষেপ — ৪৭৫
    • কণ্ডূয়ন — ৬৬৪
    • কতিপয় মানসিক উপসর্গ ও ঔষধ — ৭০৮

    পৃষ্ঠা ১১২৯

    • কণ্ডকাসন-অভ-রেণ — ৮৭০
    • কঞ্জাম্পসন — ৪২৪
    • কঞ্জুগেল-অনেনিজম — ৬২১
    • কন্ডালসন্ — ৪৯৯
    • কন্টিটিউসনাল-ডিজিজেস — ৩৯৩
    • কন্টিপেসন্ — ২১৫
    • কাফ — ৩৪২
    • কম্পন (একাঙ্গ বা সর্ব্বাঙ্গ) — ৫০৮
    • করোনারি ও সেরিবেব্রল থ্রম্বোসিস্ — ৫৮৯
    • কর্ণসূ — ৬৮১
    • কর্ণকুহরে ফোড়া — ৫৪৩
    • কর্ণনাদ — ৫৩৯
    • কর্ণ-প্রদাহ — ৫৩৭
    • কর্ণ-ব্রণ — ৫৩৯
    • কর্ণমল বা কানে খোল — ৫৪৭
    • কর্ণমূল-প্রদাহ — ৫৪০
    • কর্ণরোগ — ৫৩৬
    • কর্ণশূল — ৫ ৩৮
    • কর্পুলেন্স — ৬৮৪
    • কর্ণে কীটাদি প্রবেশ — ৮৭৩
    • কর্ণে বৃত্তবিশিষ্ট অর্ব্বুদ — ৫৩৯
    • কলিক — ২৯২
    • কলেরা-ওলউঠা — ২৪৫
    • কলেরার পাঁচটি অবস্থার লক্ষণ ও চিকিৎসা — ২৫৬
    • কয়েকটি ঔষধ বা বস্তুর প্রতিষেধক — ৭১৯
    • কয়েকটি চর্মরোগের সংক্ষিপ্ত চিকিৎসা — ৬৬৩
    • কড়া — ৬৮১
    • কাউর ঘা — ৬৬৭
    • কাঁকড়া বিছা বা বিচ্ছু দংশন — ৮৭২
    • কাঁটা ফোটা — ৮৭১
    • কাঁচের টুকরা বিদ্ধ হইলে — ৮৬৯
    • কাটা অঙ্গ হইতে রক্তপাতে — ৮৬৬
    • কানে তাল্লা লাগিলে — ৮৬৯
    • কানে পূঁজ — ৫৪২
    • কাফি অপব্যবহার — ৭১৮
    • কার্ব্বাঙ্কল — ৬৪৪
    • কামোম্মাদ — ৬২১
    • কালশিরা পড়া — ৮৭১
    • কালা-জ্বর — ১২৬
    • কাসি — ৩৪২
    • কীট-দংশনজনিত প্রদাহ — ৬৪৬
    • কীটাদি দংশন — ৮৭১
    • কুইনিন অপব্যবহার — ৭১৪
    • কুক্ষিরোগ (ব্যাধি কল্পনা) — ৫০৬, ৭০৩
    • কুনি বা কুনথ — ৬৬৪
    • কুম্ভকর্ণ রোগ — ৪৭৮
    • কুল্পি-বরফ অপব্যবহার — ৭১৯
    • কুষ্ঠব্যাধি — ৬৭৮
    • কৃত্রিম উপায়ে শ্বাসক্রিয়া — ৮৭৮
    • কৃত্রিম উপায়ে সেফারের প্রণালী — ৮৭৮

    পৃষ্ঠা ১১৩০

    • কৃত্রিম উপায়ে সিলভেষ্টার প্রণালী — ৮৮০
    • কোকেন অপব্যবহার — ৭১৭
    • কোমল ক্ষতযুক্ত যৌনব্যাধি — ৬২৭
    • কোরাইজা — ৩৯৪, ৫৪৮
    • কোরিয়া — ৫০৭
    • কোলাইটিস (মিউকাস্) — ২৮৯
    • কোষবৃদ্ধি ও একশিরা — ৬১৫
    • কোষ্ঠকাঠিন্য — ২১৫
    • ক্যাঙ্কার-অফ-দি-মাউথ — ৩০৬
    • ক্যাঙ্ক্রাম-ওরিস — ৩০৬
    • ক্যাটার — ৩৯৪
    • ক্যাটার ক্রণিক — ৩৯৭
    • ক্যাটারেক্ট — ৫৩২
    • ক্যাটারেলে-ফিভার — ৮৫
    • ক্যাটালপ্সি — ৫০৯
    • ক্যান্সার — ৬৭১
    • ক্যান্সার ইন্-দি-ষ্টমাক — ২৮৭
    • ক্যান্সার ইউটেরাইন — ৭৫০
    • ক্যান্সার স্তনে — ৭৬৩
    • ক্রণিক অ্যাপেন্ডিসাইটিস — ৩৮১
    • ক্রণিক রিউমাটিজম্ — ৪০৯
    • ক্রণিক লেরিনজাইটিস — ৩২১
    • ক্রিমি — ৩৬৫
    • ক্রোটিনিজম্ — ৬৩৭
    • ক্লপ — ৪৭৩
    • ক্লিনিক্যাল অধ্যায় — ৯১০
    • ক্লোরোসিস — ৪৪৮, ৭৪৪
    • ক্ষত — ৬৬০
    • ক্ষত হইয়া জ্বর ও অন্যান্য লক্ষণ — ৮৬৮
    • ক্ষতকারী রাসায়নিক দ্রব্যাদির সংস্পর্শ — ৮৬৩
    • ক্ষয়রোগ — ৪২০
    • ক্ষয়রোগীর পালনীয় বিধি-নিষেধ — ৪৩৩
    • ক্ষয়রোগের জীবাণুঘটিত মেনিনজাইটিস — ৪৬১
    • ক্ষিপ্ততা — ৬৯২
    • ক্ষুদ্রান্ত্র-ক্রিমি রোগ — ৩৬২
    • ক্ষুদ্রান্ত্র প্রদাহ — ২৯০
    • ক্ষুদ্রান্ত্রের ক্ষত — ২৮৯
    • খাদ্যদৃষ্টি — ৮৮৬
    • খাদ্যের উপাদান ও খাদ্যপ্রাণ — ৯৮৬
    • খাদ্যের তালিকা — ৯৯১
    • খাদ্যের পরিমাণ — ৯৮৯
    • খুস্কি — ৬৬৮
    • খেঁচুনী বা আক্ষেপ — ৪৯৮, ৭৯১
    • খোলস উঠা — ৬৬৮
    • খোস, পাঁচড়া ও চুলকানি — ৬৬৬
    • গণ্ডমালা — ৪১৮
    • গণোরিয়া — ৬২৮
    • গর্ভকাল — ৭৬৪

    পৃষ্ঠা ১১৩১ (IMG_20260327_142031)

    • গর্ভপাত বা গর্ভস্রাব — ৭৭৪
    • গর্ভলক্ষণ — ৭৬৪
    • গর্ভসঞ্চার — ৭২৫, ৭৬৩
    • গর্ভাবস্থা ও তৎকালীন ব্যবস্থা — ৭৬৪
    • গর্ভাবস্থায় অনিদ্রা — ৭৭০
    • গর্ভাবস্থায় অপ্রকৃত প্রসব-বেদন — ৭৭০, ৭৮১
    • গর্ভাবস্থায় অল্প প্রস্রাব ও মূত্ররোধ — ৭৭০
    • গর্ভাবস্থায় অর্শ — ৭৭৯
    • গর্ভাবস্থায় অসাড়ে মূত্রত্যাগ — ৭৭০
    • গর্ভাবস্থায় উপসর্গাদি ও চিকিৎসা — ৭৬৬
    • গর্ভাবস্থায় উদরাময় — ৭৭০
    • গর্ভাবস্থায় কামড়ানি (পায়ে) — ৭৭২
    • গর্ভাবস্থায় কাসি — ৭৭৯
    • গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠবদ্ধতা — ৭৭০
    • গর্ভাবস্থায় খিলধরা — ৭৬৯
    • গর্ভাবস্থায় জ্বর — ৭৭২
    • গর্ভাবস্থায় দন্ত-বেদনা — ৭৬৭
    • গর্ভাবস্থায় ধাতের ব্যারাম — ৭৭২
    • গর্ভাবস্থায় ধাতুদোষ — ৭৭৪
    • গর্ভাবস্থায় ন্যাবা — ৭৬৯
    • গর্ভাবস্থায় পালনীয় নিয়ম — ৭৬৪
    • গর্ভাবস্থায় পিঠে ও কোমরে বেদনা — ৭৬৬
    • গর্ভাবস্থায় পেট কনকন করা — ৭৭২
    • গর্ভবিলাসে পেট খামচান — ৭৬৭
    • গর্ভবিলাসে পেট ঝুলিয়া পড়া — ৭৭২
    • গর্ভবিলাসে পেট বড় হওয়া এবং স্তনে ব্যথা — ৭৭২
    • গর্ভবিলাসে পেটে ছেলের নড়াচড়ায় কষ্ট — ৭৭২
    • গর্ভবিলাসে প্রস্রাবে যন্ত্রণা — ৭৭৯
    • গর্ভবিলাসে বমন বা বমনেচ্ছা — ৭৬৮
    • গর্ভবিলাসে বাহ্যজননেন্দ্রিয়ের চুলকানি — ৭৭২
    • গর্ভবিলাসে বুক-জ্বালা — ৭৭০
    • গর্ভবিলাসে বুক ধড়ফড় করা — ৭৭৯
    • গর্ভবিলাসে বেদনা — ৭৭২
    • গর্ভবিলাসে মাথাব্যথা — ৭৬৬
    • গর্ভাবস্থায় মানসিক কষ্ট — ৭৭৩
    • গর্ভাবস্থায় মানসিক অবস্থার গোলযোগ — ৭৬৮
    • গর্ভাবস্থায় মুখ দিয়া জল উঠা — ৭৬৮
    • গর্ভাবস্থায় মূর্চ্ছা — ৭৬৮
    • গর্ভাবস্থায় মূত্রনালীর আক্ষেপ — ৭৭৯
    • গর্ভাবস্থায় মৃগী — ৭৯৭
    • গর্ভাবস্থায় রজঃনিঃসরণ — ৭৭২
    • গর্ভাবস্থায় রক্তস্রাব — ৭৭০
    • গর্ভাবস্থায় রুচি-বিকার — ৭৭০
    • গর্ভাবস্থায় লালাস্রাব — ৭৭৯
    • গর্ভাবস্থায় শিরা-স্ফীতি — ৭৬৯
    • গর্ভাবস্থায় শ্বাসকষ্ট — ৭৭৯
    • গর্ভাবস্থায় শোথ — ৭৬৭

    পৃষ্ঠা ১১৩২ (IMG_20260327_142001)

    • গর্ভাবস্থায় সন্ন্যাস রোগ — ৭৬৮
    • গর্ভাবস্থায় স্তন বড় হইবার দরুণ যন্ত্রণা — ৭৭০
    • গর্ভাবস্থায় স্তনে বেদনা — ৭৭০
    • গর্ভাবস্থায় স্তনের বোঁটায় প্রদাহ বা ঘা — ৭৭০
    • গর্ভাবস্থায় স্তনে বিবিধ উপসর্গ — ৭৭০
    • গর্ভাবস্থায় স্বাস্হ্য — ৭৬৫
    • গর্ভাবস্থায় হিস্টিরিয়া — ৭৬৭
    • গর্ভে কন্যা বা পুত্রোৎপত্তির কারণ — ৭৬৪
    • গলক্ষত — ৩১২
    • গলগণ্ড — ৬৩৬
    • গলগণ্ডসহ জড়বুদ্ধি ও শরীর বিকৃতি — ৬৩৭
    • গলমধ্যে মাছের কাটা আটকান — ৮৮৬
    • গলষ্টোন — ২৯৬
    • গলাভাঙ্গা ও স্বরভঙ্গ — ৩৪৮
    • গয়টার — ৬৩৬
    • গাউট — ৪১১
    • গাত্রদাহ — ৬৮১
    • গা-ফাটা — ৬৬৪
    • গাম-বয়েল — ৩০৩
    • গিডিনেস — ৪৭৩
    • গিনি-ক্রিমি — ৩৬১
    • গুটিকাদোষ অন্ত্রে — ৪৩৩
    • গুহ্যদেশ ছিন্ন — ৭৮৯
    • গুহ্য বা সরলান্ত্র নির্গমন — ৩৬৭
    • গুহ্য বা সরলান্ত্রের পীড়া — ৩৫৫
    • গৃধ্রসী বাত — ৪০৭
    • গোদ — ৬৬০
    • গৌঁপে দাদ — ৬৬৪
    • গোড় — ৮০৬
    • গৌণ বা আনুষঙ্গিক রক্তস্বল্পতা — ৪৫১
    • গ্যাঁজ — ৬৬৪
    • গ্যাংগ্লিয়ন — ৬৪৭
    • গ্যাংগ্রীণ — ৯৭৮
    • গ্যাস্ট্রোডাইনিয়া — ২৮৮
    • গ্যাস্ট্রাইটিস — ২৭৯
    • গ্যাস্ট্রিক আলসার — ২৮১
    • গেঁটেবাত বা গ্রন্থিবাত — ৪১১
    • গ্রন্থিল-জ্বর — ১৬৪
    • গ্রন্থিল পেশীবন্ধনী — ৬৪৭
    • গ্রাভেল — ৬১১
    • গ্লুকোমা — ৫২৯
    • গ্লসাইটিস — ৩১০
    • গ্ল্যান্ডুলার-ফিভার — ১৬৪
    • ঘনবটি বা ফুস্কুড়ি — ৬৪৫
    • ঘাম রন্ধ — ৭৯৩
    • ঘামাচি — ৬৬৩
    • ঘাড়ের বাত বা ঘাড়-আড়ষ্ট — ৪০০
    • ঘৃংড়ি-কাসি — ৪৭৩
    • ঘ্রাণশক্তির বিকৃতি বা লোপ — ৫৫২

    পৃষ্ঠা ১১৩৩ (IMG_20260327_141935)

    • চক্ষু-প্রদাহ বা চোখ-উঠা — ৫২৪, ৮১৬
    • চক্ষুমধ্যে কীটাদি প্রবেশ — ৮৭৩
    • চক্ষুরোগ — ৫১৯
    • চক্ষুর ছানি — ৫৩২
    • চক্ষুর পাতা ফুলিয়া পড়া — ৫৩১
    • চক্ষুর পাতা আকুঞ্চন — ৫৩২
    • চক্ষুর পাতা নাচা — ৫৩১
    • চক্ষে কালশিরা পড়া — ৫২৬
    • চর্মরোগ — ৬৪১
    • চর্ম বা তগেন্দ্রিয়ের উপসর্গচয় ও চিকিৎসা — ৬৬৪
    • চা-অপব্যবহার — ৭১৮
    • চিকেন-পক্স — ১৮৭
    • চুলকানি ও পাঁচড়া — ৬৬৬, ৭৫৯
    • চোখ উঠা — ৫২৪
    • চ্যাপ্টা ক্রিমি রোগ — ৩৬৩
    • ছাল উঠিয়া যাওয়া — ৬৫২
    • ছুলি — ৬৬৪
    • জন্ডিস — ৩৮৭
    • জননেন্দ্রিয়ের পীড়া — ৬১২
    • জননেন্দ্রিয়ের অপর কয়েকটি পীড়া — ৬২০
    • জননেন্দ্রিয়ের দৌর্বল্য — ৬২১
    • জন্মগত উপদংশ — ৬২৬
    • জরায়ু ব্যাধি — ৭৪৬
    • জরায়ুর স্ফীতি — ৭৫২
    • জরায়ুর মধ্যে জল, বায়ু ও রক্তসঞ্চয় — ৭৪৯
    • জরায়ু হইতে রক্তস্রাব — ৭৫২
    • জরায়ুজ মূর্চ্ছা — ৭৪৭
    • জরায়ুতে প্রবল রক্তসঞ্চয় — ৭৫২
    • জরায়ুতে বেদনা — ৭৫২
    • জরায়ুর অর্বুদ — ৭৫০
    • জরায়ুর উগ্রতা — ৭৪৬
    • জরায়ুর অপর কয়েকটি উপসর্গ — ৭৫২
    • জরায়ুর দূষিত অর্বুদ বা ক্যান্সার — ৭৫০
    • জরায়ুর নির্গমন — ৭৫২
    • জরায়ুর পচন — ৭৫২
    • জরায়ুর প্রদাহ — ৭৪৭
    • জরায়ুর রজঃস্রাব — ৭৪৮
    • জরায়ুর স্থানচ্যুতি বা নাভিটলা — ৭৫১
    • জল-বসন্ত (পানি-বসন্ত) — ১৮৭
    • জল-সার মতে সর্পাঘাত চিকিৎসা — ৮৮৯
    • জলাতঙ্ক — ৪৯২
    • জলে ডোবা — ৮৭৪
    • জাল দৃষ্টি — ৫২৮
    • জায়ুজ ব্যাধি — ৭১২
    • জিগার — ৩৬৪
    • জিয়ার্ডিয়া-লাম্বলিয়া ঘটিত উদরাময় — ৩৬৫
    • জিহ্বার রোগ — ৩১০

    Page 34

    • জিহ্বার অপর কয়েকটি পীড়া (৩১১)
      • ক্ষত (৩১০)
      • প্রদাহ (৩১০)
    • জীবাণুতত্ত্ব বা জীবাগম রহস্য (৯৩৬)
    • জ্বর (৬৬)
      • অবিরাম ও একজন (৯৩)
      • আরক্ত (১৮৫)
      • আট দিন হইতে ছয় সপ্তাহ স্থায়ী (৮৯)
      • ছয় সপ্তাহের বেশী বা দীর্ঘস্থায়ী (৮২)
      • ইয়েলো (১৬১)
      • ইনফ্লুয়েঞ্জা (৮৭)
      • একজ্বরসহ রক্তাল্পতা (৯৬)
      • কালা-জ্বর (১২৬)
      • গ্রন্থিল (১৬৪)
      • টাইফয়েড (সান্নিপাতিক বা আন্ত্রিক) (১৬৪)
      • টাইফাস (১৫৫)
      • ডেঙ্গু (১৫৯)
      • নির্ণয়ে পরীক্ষণীয় বিশিষ্ট লক্ষণাদি (৬৭)
      • পীত (১৬১)
      • পৌনঃপুনিক (১৫৭)
      • প্যারা টাইফয়েড (১৫৪)
      • প্রচ্ছন্ন ম্যালেরিয়া (১২২)
      • বহু ব্যাপক সর্দি (৮৭)
      • মাল্টা (৯৫)
      • ম্যালেরিয়া (৯৭)
      • স্বল্পবিরাম (১২০)
      • ম্যালেরিয়া জনিত ম্যালিগন্যান্ট (১২৩)
      • সর্দি (৮৫)
      • সান্নিপাতিক (১০৪)
      • সরল (৮৪)
    • টন্সলাইটিস (৫৫১)
    • টোব্যাকো অপব্যবহার (৭১৮)
    • টাইফাস-ফিভার (১৫৫)
    • টাইফয়েড-জ্বর (১৩৪)
    • টিউবারকুলার মেনিনজাইটিস (৪৬১)
    • টিউবারকুলোসিস ইনটেস্টিন্যাল (৪৩৩)

    Page 35

    • টিউবারকুলোসিস
      • অফ-দি-লাংস (৪২৪)
      • জেনারেলাইজড (৪২৯)
    • টিউমার (৪৩৭)
      • ওভারিয়ান (৭৫৫)
      • ইউটেরাইন (৭৫০)
      • ম্যালিগন্যান্ট (৬৭১)
    • টিকা চিকিৎসা (৯৫৪)
      • শিশু (৮১১)
    • টিটানি (৬৪০)
    • টিটেনাস (৪৮৯)
    • টিনিটাস-অরিয়াম (৫৩৯)
    • টিম্পেনাইটিস (২১৯)
    • টুথ-এক (৩০৭)
    • ট্যারা দৃষ্টি (৫২৮)
    • ট্রেমর (৫০৮)
    • টসিস (৫৩৯)
    • ডাক্টলেস-গ্ল্যান্ডস (৬৩৫)
    • ডাইউরেসিস (৬০৫)
    • ডায়রিয়া (২২১)
    • ডায়লেটেশন-অফ-স্টমাক (২৬৪)
    • ডায়াবেটিস (৪৩৫)
      • ইনসিপিডাস (৬০৫)
    • ডিউওডিন্যাল-আলসার (২৮১)
    • ডিফথিরিয়া (১৬৯)
    • ডিমনেস-অফ-ভিশন (৫২৬)
    • ডিপ্প্পসিয়া (৬৯৮)
    • ডিম্বকোষের কয়েকটি উপসর্গ (৭৫৫)
      • অর্বুদ (৭৫৫)
      • কর্কট (৭৫৬)
      • কাঠিন্য (৭৫৬)
      • প্রদাহ (৭৫৫)
      • ব্যাধি (৭৫২)
      • শোথ (৭৫২)
      • স্থানচ্যুতি (৭৫৪)
      • স্নায়ুশূল (৭৫৫)
    • ডিলিউসান (৭৩৪)
    • ডিলিরিয়াম-ট্রিমেন্স (৬৯১)
    • ডিসপ্লেসমেন্ট-অফ-ইউটেরাস (৭০৩)
    • ডিসপেপসিয়া (৭৬১)
    • ডিসমেনোরিয়া (২০২)
    • ডিসেন্ট্রি (৭০১)
      • অ্যামিবিক (২২৯)
      • ব্যাসিলারি (২২৯)
    • ডেঙ্গু বা হাড়ভাঙ্গা জ্বর (১৫৯)
    • ডেফনেস (৫৪৪)
    • ডে-ব্লাইন্ডনেস (৫২৭)
    • ড্রপসি (৪৪০)
    • ড্রপসি এপিডেমিক (৬০০)
    • ড্রাগ-ডিজিজেস (৭১২)
    • ড্রেকুঙ্কুলাসিস (৩৬১)
    • তন্তুখুননকারী কৃমি (৩৬১)
    • তরুণ সংবাত (৩৯৪)

    Page 36



    • তরুণ সর্দি (৩১৪)
      • স্বরযন্ত্র প্রদাহ (৩১৯)
    • তড়কা (৪১৯)
    • তাড়িতাহত অবস্থা (৮৭৬)
    • তাণ্ডব বা নর্তন রোগ (৫০৭)
    • তাম্রকূট অপব্যবহার (৭১৮)
    • তারকামন্ডল-প্রদাহ (৫২৯)
    • তালুমূল-প্রদাহ (৩৫১)
    • তিল বা জডুল (৮১০)
    • ত্বগিন্দ্রিয়ের উপসর্গচয় ও চিকিৎসা (৬৬৪)
    • থাইমাস-গ্ল্যান্ডস্ (৬৪০)
    • থাইসিস্ (৪২৪)
    • থেঁতলাইয়া যাওয়া (৮৬৯)
    • থ্রম্বোসিস্ করোনারি ও সেরিব্রাল (৬৮৯)
    • থ্রাস (৩০৪)
    • দংশ-মক্ষিকাজনিত রোগ (৩৬৪)
    • দন্তশূল (৩০৭)
    • দম্দম্-ফিভার (১২৬)
    • দাদ বা দদ্রু (৬৬৩)
    • দাঁতের গোড়া দিয়া রক্তপাত (৮৬৭)
    • দিন-কানা (৫২৭)
    • দুগ্ধ-জ্বর (৭৯৪)
    • দুষ্ট-ব্রণ (৬৪৪)
    • দূরদর্শন-শক্তি (৫২৮)
    • দৃষ্টি-ক্লান্তি (৫২৮)
    • দৃষ্টিশক্তির ক্ষীণতা (৫২৬)
    • ধনুষ্টঙ্কার (৪৮৯, ৮১৬)
    • ধবল (শিশুর) (৮৪২)
    • ধমনী কাটিয়া রক্তস্রাব (৮৬৬)
    • ধমনীর অর্বুদ (৬৮৭)
    • ধাতুদোষ ও তাহার চিকিৎসা (৯৩৫)
    • ধাতুগত রোগ (৩৯৩)
    • ধাতুদৌর্বল্য (৬১৩)
    • ধ্বনি-দৃষ্টি বা ঝাপসা দেখা (৫২৯)
    • ধ্বনি রোগ (৪৩৩)
    • ধ্বজভঙ্গ (৬১৮)
    • নখের পীড়া (৬৮৩)
    • ননস্পেসিফিক ইউরেথ্রাইটিস (৬৩২)
    • নরদেহ-পরিচয় ও রোগনির্ণয় (৫১)
    • নর্তন রোগ বা তাণ্ডব রোগ (৫০৭)
    • নসিয়া (২১০)
    • নাইট-ব্লাইন্ডনেস (৫২৭)
    • নাইট-মেয়ার (৪৭৯)
    • নাক দিয়া রক্তস্রাব (৮৬৭)
    • নারাঙ্গা (৮১৩)

    চতুর্থ ছবির বিষয়বস্তু (IMG_20260327_141653.jpg)

    • নাভি-টলা (৭৫১)
    • নাভি-রোগ (৮০৬)
    • নাসা-জ্বর (৫৫২)
    • নাসাগরাগ্রের পীড়াচয় (৫৪৮)
    • নাসিকা, চক্ষু বা কর্ণে কীটাদি প্রবেশ (৮৭৩)
    • নাসিকার্বুদ (৫৫৩)
    • নাসিকায় পূঁজবটি (৫৪৮)
    • নাসিকার মূলদেশের পীড়া (৫৪৮)
    • নাসিকা টাটান (৫৪৯)
    • নাসিকার পীড়া (৫৪৮)
    • নাসিকা-প্রদাহ (৫৪৮)
    • নাসিক্য হইতে রক্তস্রাব (৫৫০)
    • নাসিকায় সর্দি (৫৪৮)
    • নাসিকার ক্ষত ও পীনস (৫৪৯)
    • নাড়ী (৫৭৪)
    • নাড়ী কাটা (৭৮৫)
    • নাড়ী পরীক্ষা (৫৭৫)
    • নাড়ী অবস্থভেদে সম্ভাব্য রোগ ও ঔষধ (৫৭৬)
    • নাড়ীর বিবিধ অবস্থা (৫৭৫)
    • নাড়ীর বিভিন্ন সংজ্ঞা (৫৭৫)
    • নাড়ী-স্পন্দন (৫৭৮)
    • নিউমোনিয়া (৩৩৪)
    • নিউরাইটিস (৫০১)
    • নিউরাসস্থেনিয়া (৫০২)
    • নিউরালজিয়া (৫০৩)
    • নিক্টিটেসান (৫৩১)
    • নিম্ন রক্তচাপ (৫৭৩)
    • নিস্পন্দ বায়ুরোগ (৫০৯)
    • নীল রোগ (৮০৭)
    • নেজাল-পলিপাস (৫৫৩)
    • নেফ্রালজিয়া (৫৯৮)
    • নেফ্রাইটিস (৫৯৪)
    • ন্যাবা বা পাণ্ডু (৩৮৭, ৮৪০)
    • পক্ষাঘাত (৪৯৪, ৭০০)
    • পচা জ্বর (১৭৮)
    • পথ্য ও তাহার প্রস্তুত প্রণালী (৯৮১)
    • পরিপাক যন্ত্রের পীড়া (২০২)
    • পলিউরিয়া (৬০৫)
    • পলিপাস-অফ-দি-ইয়ার (৫৩৯)
    • পাইমিয়া (১৭৮)
    • পাইলস (৩৭২)
    • পাইরোসিস (২১০)
    • পাকাশয়ে দুষ্টক্ষত (২৮৭)
    • পাকাশয়ের ক্ষত (২৮১, ২৮৬, ২৯৯)
    • পাকাশয়-প্রদাহ (২৭৯)
      • প্রসারণ (২৮৪)
    • পাকাশয়ের আক্ষেপ বা বেদনা (২৮৮)
      • পুরাতন প্রদাহ (২৭৯)
      • শীর্ণতা (২৮৬)
    • পাগলা কুকুর বা শিয়াল দংশন (৮৭১)
    • প্যাঁচড়া ও চুলকানি (৬৬৩)
    • পাণ্ডু বা ন্যাবা (৩৮৭, ৮৪০)
    • পাথরী (৬০৮)
    • পানি বসন্ত (১৮৭)

    পঞ্চম ছবির বিষয়বস্তু (IMG_20260327_141632.jpg)

    • পার্পুরা (৪৫৩)
    • পানিসাস ম্যালেরিয়া ফিভার (১২৩)
    • পার্শ্ববাত (৪৫৩)
    • পার্শিয়াল-ব্লাইন্ডনেস (৫২৭)
    • পারদ অপব্যবহার (৭১২)
    • পালস (৫৭৫)
      • বিট (৫৭৮)
    • পালপিটেশান অব দি হার্ট (৬৮১)
    • পালাজ্বর (১০৪)
    • পাস্টিউল (৫৪৮, ৬৪৭)
    • পিউট্রিড ফিভার (১৭৮)
    • পিউবার্টি বয়েলস (৬৪৯)
    • পিউয়ারপেরেল ফিভার (৭৯৬)
      • ইনসেনিটি (৭৯৮)
    • পিউয়ারপেরেল সিম্পটমস (৭৮৯)
    • পিক, চক্ষু-অস্থি-প্রদাহ (৫১৮, ৮০১)
    • পিটাইরিয়াসিস (৬৬৮)
    • পিত্তজনিত শিরঃপীড়া (২৮৮)
    • পিত্ত-পাথরী (২৯৬)
    • পিম্পলস (৬৪৫)
    • পীতজ্বর (১৬১)
    • পীতভ পীড়কা (৬৪৬)
    • পুনঃ পুনঃ গর্ভপাত নিবারণের চিকিৎসা (৭৭৬)
    • পুরাতন বাত (৪০৯)
    • পুরাতন সন্ধিপ্রদাহ (৪১৩)
      • সর্দি (৩১৭)
      • স্বরযন্ত্র প্রদাহ (৩২১)
      • ক্ষত বা শোথ (৫০১)
    • পোঁছায় পাংয়া (৮১৬)
    • পেইন-ইন-দি-স্টমাক (২৮৮)
      • ব্রেস্ট (৭৬২)
    • পেইনফুল নিপলস (৭৯৫)
    • পেট ঝুলিয়া পড়া (৮০০)
    • পেট ফাঁপা (২১৯)
    • পেরাফাইমোসিস (৬২০)
    • পেরালাইসিস (৪৯৪, ৭০০)
    • পেরিটোনাইটিস (২৯১)
    • পেরোটাইটিস (৫৪০)
    • পেলভিক-সেলুলাইটিস (৮০০)
    • পেলেগ্রা (৪৫৬)
    • পেশীর ক্রমবর্ধমান শীর্ণতা (৫১৮)
    • পেশীচয়ের শীর্ণতা (৫১০)
    • পেশীবাত (৪০২)
    • পোড়া এবং ঝলসে যাওয়া (৮৬৩)
    • পোড়া-নারাঙ্গা (৮১২)
    • পোয়াতির শুশ্রূষা (৭৮৭)
    • প্রকৃত প্রমেহ (৬২৮)
    • প্রচণ্ড উন্মাদ রোগ (৬৯২)
    • প্রচ্ছন্ন ম্যালেরিয়া (১২২)
    • প্রথম রজঃস্রাবে বিলম্ব (৭২৪)
    • প্রদর ও শ্বেতপ্রদর (৭৩৯)
    • প্রবল উপঘাত (৮৭১)
      • সঙ্গমেচ্ছা (৬২১)
    • প্রমেহ (৬২৮)
    • প্রলাপ-কম্পন-উন্মাদ রোগ (৭০৬)
    • প্রলেপসাস-ভেজাইনি (৭৫৯)
      • রেক্টি এন্ড এনি (৩৬৭)
    • প্রুরিগো (৬৩৪)
    • প্রুরিটাস ভল্ভি (৭৫৯)

    ষষ্ঠ ছবির বিষয়বস্তু (IMG_20260327_141605.jpg)

    • প্রুরিটাস এনি এবং প্রুরিটাস পুডেন্ডি (৩৭৯)
    • প্রোস্টেট-গ্ল্যান্ড (৬১৬)
    • প্রোস্টেটাইটিস (৬১৬)
    • প্রসবকাল ও তৎকালীন কর্তব্য (৭৭৭)
    • প্রসবকালে বারংবার অস্ত্র প্রয়োগের কুফল (৭৯৯)
    • প্রসবকালের উপসর্গাদি (৭৭৬)
    • প্রসবকালে ফুল না পড়া (৭৮৯)
    • প্রসবদিন নির্ধারণ তালিকা (৭৭৮)
    • প্রসব বেদনা (৭৮০)
      • সত্য ও মিথ্যা (৭৮১)
    • প্রসবান্তিক উপসর্গাদি (৭৮৯)
      • অনিদ্রা (৭৯৩)
      • অর্শ (৭৯৩)
      • আঁতুড়ে-বাই (৭৯৮)
      • উদরাময় (৭৯৩)
      • উন্মাদ রোগ (৭৯৯)
      • এক্লেম্পসিয়া (৭৯৯)
      • কাহিল বোধ (৭৯৩)
      • কোষ্ঠবদ্ধতা (৭৯৩)
      • খেঁচুনি বা আক্ষেপ (৭৯৯)
      • ঘামবন্ধ (৭৯৩)
      • দুগ্ধ জ্বর (৭৯৪)
      • পেট ফুলিয়া পড়া (৮০০)
      • ফুল না পড়া (৭৮৯)
      • বিস্বাদ বার (৫১৯)
      • বসিত কেটরে কোষিক ঝিল্লীপ্রদাহ (৮০০)
    • প্রসবান্তিক মাথার চুল উঠিয়া যাওয়া (৮০১)
      • মেলাঙ্কোলিয়া (৭৯৯)
      • মূত্ররোধ (৭৯৩)
      • মূর্ছা (৭৯৯)
    • প্রসবান্তিক যোনিমুখ ও গুহ্যদেশ ছিন্ন (৭৮৯)
      • রক্তস্রাব (৭৯০)
      • শ্বেতপদ (৭৯৯)
      • সূতিকা জ্বর (৭৯৬)
      • রোগ (পুরাতন) (৭৯৮)
      • স্তন-প্রদাহ বা ঠুনক (৭৯৪)
      • স্রাব (লোকিয়া) (৭৯০)
      • হেতাল ব্যথা (৭৮৯)
    • প্রসবান্তে স্তনের পীড়া (৭৯৩)
      • মাই দিবার ফলে কাহিল বোধ (৭৯৫)
      • স্তন হইতে অসারে দুগ্ধ নিঃসরণ (৭৯৫)
      • স্তনে বেশী দুগ্ধ হওয়া (৭৯৫)
      • দুগ্ধ না হওয়া বা কম হওয়া (৭৯৫)
      • ব্যথা (৭৯৫)
      • স্তনের বোঁটায় ক্ষত (৭৯৫)
    • প্রসবকালে পালনীয় নিয়ম (৭৮২, ৭৮৩)
    • প্রসবের কোন্ অবস্থায় ডাক্তার ডাকিতে হয় (৭৮২)
    • প্রোগ্রেসিভ মাস্কুলার অ্যাট্রফি (৫১৮)
    • প্লীহা বর্ধিত (৩৯০)

    সপ্তম ছবির বিষয়বস্তু (IMG_20260327_141537.jpg)

    • প্লীহা ও যকৃৎ পীড়া (৩৮২)
    • প্লীহা ও যকৃৎ-বিবর্দ্ধন সংযুক্ত রক্তাল্পতা (৩৯২)
    • প্লুরিসি (৩২৬)
    • প্লুরোডাইনিয়া (৪০৫)
    • প্লেগ মহামারী (১৯৬)
    • ফাইমোসিস (৬২০)
    • ফাইলোরিয়া (৩৫৯)
    • ফারাঙ্কল-অফ-দি-মিয়েটাস (৫৩৯)
    • ফিউনিকুলাইটিস (৬১৫)
    • ফিটিড ব্রিদ (৩০২)
    • ফিভার (৬৬)
    • ফিস পয়জন (৮৮৬)
    • ফিস্টুলা-ইন-অ্যানো (৩৬৯)
    • ফিশার-ইন-অ্যানো (৩৭০)
    • ফুল না পড়া (৭৮৯)
    • ফুসকুড়ি (৬৪৫)
    • ফুসফুস-প্রদাহ (৩৩৪)
    • ফুসফুস-পরীক্ষা (৩৩৭)
    • ফেইন্টিং (৫৮৫)
    • ফোড়া বা স্ফোটক (৬৪৩)
    • ফ্লাইং ওয়ার্মস্ (৩৬৪)
    • ফ্ল্যাশিং (৫৪৮)
    • ফ্ল্যাটুলেন্স (২১৯)
    • ফ্লেবাইটিস (৬৮৮)
    • ফ্লেগমেশিয়া-আলবা-ডোলেন্স (৭৯৯)
    • ফ্ল্যাজেলেট ডায়রিয়া (৩৬৫)
    • বকরূকীট (৩৬২)
    • বদ্ধমূল ভ্রান্ত বিশ্বাস (৬৯১)
    • বর্দ্ধনশীল উৎকট রক্তস্বল্পতা (৪৫০)
    • বর্দ্ধিত প্লীহা (৩৯০)
    • বর্দ্ধিত শিরা (৬৮৮)
    • বধিরতা (৫৪৪)
    • বন্দুক বা পিস্তলের গুলি দ্বারা আহত (৮৬৯)
    • বন্ধ্যাত্ব (৭৬১)
    • বমন ও বমনেচ্ছা (২১৩)
    • বরফ বা কুলপি বরফ অপব্যবহার (৭১৯)
    • বসন্ত (মসুরিকা) (১৮৮)
      • জল (১৮৭)
    • বসন্তের প্রতিষেধক (১৯১)
    • বস্তি কোটরের কৈশিক ঝিল্লী-প্রদাহ (৮০০)
    • বহির্বাহিনী নালীশূন্য গ্রন্থিসমূহের পীড়া (৬৩৫)
    • বহিরাগত অক্ষিগোলক সংযুক্ত গলগন্ড (৬৩৬)
    • বহুব্যাপক শোথ রোগ (৫১৩)
      • সর্দি (৮৭)
    • বহুমূত্র (৪৩৫)
    • বয়স-ফোড়া বা বয়োব্রণ (৬৪৯)
    • বয়েলস্ (৬৪৮)
    • বাক্ শক্তি লোপ বা স্বরলোপ (৩৫০)
    • বাগী (৬৩৩)
    • বাতব্যাধি (৩৯৩)
      • কটিবাত বা কটিপেশী বাত (৪০৫)

    অষ্টম ছবির বিষয়বস্তু (IMG_20260327_141507.jpg)

    • বাতব্যাধি কটিস্নায়ু বাত বা গৃধ্রসী (৪০৭)
      • গেঁটেবাত বা গ্রন্থিবাত (৪১১)
      • ঘাড়ের বাত বা ঘাড় আড়ষ্ট (৪০৩)
      • তরুণ সন্ধিবাত (৩৯৪)
    • বাত ব্যাধি পার্শ্ববাত (৪০৫)
      • পুরাতন (৪০৯)
      • পুরাতন সন্ধি-প্রদাহ (৪১৩)
      • পেশীবাত (৪০২)
      • স্কন্ধবাত (৪০৪)
    • বাধক বেদনা (৭০৯)
    • বাল রোগ (৮০২)
    • বায়ুনলীভুজ-প্রদাহ (৩২২)
    • বায়োকেমিক ঔষধাবলী (১০১৬)
    • বার্দ্ধক্য ও পূর্ববর্ত্তী অবস্থাদ্বয় (৬৮৫)
    • বাহ্য জননেন্দ্রিয় চুলকান (৩৭১)
    • বিউবো (৬৩৩)
    • বিকার মস্তিষ্কে রক্তস্বল্পতা জনিত (৪৬২)
    • বিচ্ছু দংশন (৮৭২)
    • বিছুটি লাগা (৬৪৬)
    • বিপজ্জনক উচ্চ রক্তচাপ (৫৬৭)
    • বিমান আক্রমণে বিপত্তি (৮৬৯)
    • বিল্হোরজিয়াসিস্ (৩৬৩)
    • বিলিয়াস হেডেক (২৮৮)
    • বিলিয়ারী ক্যালকুলাস (২৯৬)
    • বিষ খাওয়া (৮৮৪)
    • বিষ প্রতিবিষ (৮৮৫)
    • বিষ-ফোড়া (৬৪৭)
    • বিষমাত্রায় অহিফেন (৮৮৫)
    • বিষাদ-বায়ু (৬৯৬, ৭৯৯)
    • বিসর্প (১৮৫)
    • বীজাণু ও জীবাণু প্রসঙ্গ (৯৪৮)
    • বীর্য্যপাত বা রেতঃস্খলন (৬১২)
    • বুকচাপা স্বপ্ন (৪৭৯)
    • বুক-জ্বালা (৭৭০)
    • বুক সাঁই সাঁই করা (৮২৯)
    • বুক্কাস্থি সন্নিহিত গ্রন্থিরোগ (৬৪০)
    • বুদ্ধিবৈকল্য (৬৯৮)
    • বৃহদন্ত্র-প্রদাহ (২৮৯)
    • বেরি-বেরি (৫১০)
    • বেলানাইটিস (৬২০)
    • ব্যাধি-কল্পনা রোগ (৫০৬, ৭০০)
    • ব্যাসিলারী ডিসেন্ট্রি (২০২)
    • ব্রঙ্কাইটিস (৩২২)
    • ব্রণ বা বিদ্রধি (৬৪৮)
    • ব্রেইন-ফ্যাগ (৪৬৫)
    • ব্লাড-প্রেসার বা রক্তের সন্তাপ (৫৬৭)
      • হাই (৫৬২)
      • লো (৫৭৩)
    • ভগন্দর (৩৬৯)
    • ভমিটিং (২১৩)
    • ভার্টিগো (২৯০, ৪৭০)
    • ভিকেরিয়াস মেনস্ট্রুয়েশন (৭২৭)
    • ভীতি, মোহাবিষ্ট ইত্যাদি (৮৭১)
    • ভেজিনাইটিস (৭৫৬)
    • ভেজিনিস্মাস (৭৫৮)

    Page 42

    • ভেনারিয়েল-ডিজিজেস্ (৬২২)
    • ভেরিকোজ-ভেন্স (৬৮৮)
    • ভেষজ-লক্ষণ-সংগ্রহ (১০০০)
    • ভেষজ সম্বন্ধ তথ্য (৯০০)
    • ভ্রমণকালে বমন (৮৭৯)
    • ভ্রান্ত-প্রত্যক্ষ (৬৯০)
    • মচকান (৮৬৭)
    • মশোম্ম (৬২০)
    • মফিয়া অপব্যবহার (৭১৬)
    • মধুমেহ (৪৩৫)
    • মরাসমাস বা খুস্কি (৬৬৮)
    • মলদ্বার ও বাহ্য জননেন্দ্রিয় চুলকান (৩৭১)
    • মলদ্বার ফাটিয়া যাওয়া (৩৭০)
    • মলমূত্র ত্যাগ না হওয়া (৮০৯)
    • মসুরিকা বা বসন্ত (১৮৮)
    • মস্তকে উকুন (৮১৫)
    • মস্তিষ্ক-আবরণ-ঝিল্লী প্রদাহ (৪৬০)
      • কশেরুক জ্বর (১৭৪)
      • ও কশেরুকায় প্রদাহ (৪৫৯)
      • বিকম্পন (৮৭০)
    • মস্তিষ্কে প্রবল রক্তসঞ্চয় (৪৬৪)
      • ধমনীবাহিত রক্তসঞ্চয় (৪৬৩)
      • রক্তাধিক্য বা রক্তসঞ্চয় (৪৬৩)
    • মস্তিষ্কের অবসাদ (৪৬৫)
      • রক্তস্বল্পতাজনিত বিকার (৪৬২)
    • মাই-না-ধরা (শিশুর) (৮০৬)
    • মাই দিবার ফলে কাহিলবোধ (৭৯৫)
    • মাকুুরির অপব্যবহার (৭১২)
    • মাছের কাঁটা আটকান (৮৮৬)
    • মাছের বিষ (৮৮৬)
    • মাথায় আঘাত (৮৭০)
      • খুস্কি (৮১৫)
    • মাথায় চুল উঠিয়া যাওয়া (প্রসূতির) (৮০১)
    • মানসিক উপসর্গ ও ঔষধ (৭০৮)
    • মানসিক রোগসমূহ (৬৯০)
    • মাম্পস্ (৫৪০)
    • মাল্টা-ফিভার (৯৫)
    • মালবৈদ্য মতে গর্ভঘাত চিকিৎসা (৮৮৯)
    • মাস্টারবেশন (৬২০)
    • মাংসপেশীর অবসাদ (৮৬৬)
    • মাস্কুলার রিউমেটিজম্ (৪০২)
      • অ্যাট্রোফি (৫১০)
      • প্রোগ্রেসিভ (৫১৮)
    • মাসিক-ভল্ভিটেনাইটিস (৫২৮)
    • মায়েলেজিয়া (৪০২)
    • মায়েলাইটিস (৫১৭)
    • মাড়ীতে স্ফোটক (৩৩০)
    • মিউকোয়াস-কোলাইটিস (২৮৯)
    • মিক্সিডিমা (৬৩৭)
    • মিজলস্ (১৮১)
    • মিলাঙ্কোলিয়া (৬৯৬)
    • মিল্ক-ফিভার (৭৯৪)
    • মুখগহ্বর-প্রদাহ (৩০০)
    • মুখগহ্বরের পচনশীল ক্ষত (৩০৬)
    • মুখ দিয়া জল উঠা (২১০)
    • মুখব্রণ (৬৪৮)
  • শ্বাসযন্ত্রের পীড়া

    আপনার আপলোড করা ছবি থেকে বাংলা টেক্সট নিচে দেওয়া হলো:

    ## শ্বাসযন্ত্রের পীড়া

    **(Diseases of the Respiratory Organs)**

    সূচনা।—ডাক্তার ফ্রেজার বলেন যে, কেবল “ঠাণ্ডা লাগানোই” শ্বাসযন্ত্রের অর্ধেক পীড়ার কারণ। তাঁহার মতে মাথাধরা, কাশি, জ্বর, শুষানি, নাকগলা-প্রদাহ, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, স্বরভঙ্গ, ব্রঙ্কাইটিস জ্বর, কাসিতে রক্ত পড়া, হুপিং-কাশি, কুষ্ঠরোগ, হাম, চোখ উঠা, মস্তিকের ঝিল্লিবেষ্টনী প্রদাহ, চক্ষু প্রদাহ, পক্ষাঘাত, কর্ণশূল, অনৈচ্ছিক বেদনা প্রভৃতি নানাবিধ রোগে ঠাণ্ডা লাগানোই পূর্ব্ববর্ত্তী বা উত্তেজক কারণ। অতএব ঠাণ্ডা যাহাতে না লাগে সে বিষয়ে সকলেরই সর্ব্বদা সতর্ক থাকা উচিত।

    হোমিও পারিবারিক চিকিৎসা

    তরুণ সদি

    (Coryza or Catarrh)

    বাসনলীর কতক অংশ প্রদাহযুক্ত হইয়া “সদি” হইয়া থাকে। কেবল নাসিকার শ্লৈষ্মিক বিলীসমূহ প্রদাহযুক্ত হইলেও সর্দি’ হয় এবং নাসিকা ও গলদেশের শ্লৈষ্মিক-বিলীচয় প্রদাহযুক্ত হইয়া সর্দি-জনর উৎপন্ন হয়। পীড়ার প্রারম্ফে শরীরের গ্লানি। গা-ভাঙ্গা হাই উঠা মাথাব্যথা মাথাঘোরা: চচ্ছ লালবর্ণ; প্রবাস উত্তস্ক: টাকরা সুড়সুড় করা; বারবার হাঁচি এবং সেইসঙ্গে চোখ ও নাক দিয়া জল পড়া প্রভৃতি উপসর্গ ঘটে। পরে অল্প অল্প শীত; নাড়ী দ্রুত ও চঞ্চল; শুষ্ক কাসি; স্বরভঙ্গ; মন ও হলদে সর্দি উঠা: হুয়ামান্দ্য; সর্বাঙ্গে বেদনা প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়। “মাইক্রোকক্কাস-কেটারেলিস” প্রভৃতি জীবাণু “সর্দি”র মুখ্য কারণ বলা হয়। অধিকক্ষণ আর্দ্র’ বল্লে থাকা, বৃষ্টিতে ভিজা, হিম বা ঠান্ডা লাগান, হঠাৎ ঘাম বন্ধ হওয়া, বদহজম বা পেটগরম হওয়া প্রভৃতি “তরুণ সর্দি”র গৌণ কারণ।

    চিকিৎসা

    স্পিরিট-ক্যাফার। (পীড়ার প্রথমাবস্থায়) যখন অল্প অল্প, শীতবোধ হয়, গা ভাঙ্গে ও নাক দিয়া কাঁচা জল ঝরে অথচ জার থাকে না।

    অ্যাকোনাইট ৩০। পীড়ার প্রথমাবস্থায় অল্প অল্প শীতসহ জরভাব; হাই উঠা, গা-ভাঙ্গা; চচ্ছ জ্বালা; সজল চক্ষু উত্তপ্ত প্রশ্বাস; বারম্বার হাচি; মাথা ভার; তরল শ্লেষ্মাস্রাব ও অত্যন্ত গ্লানি; গা খসখসে; প্রবল তৃষ্ণা; নাক দিয়া জল ঝরা (অ্যালিয়াম-সেপা), শীতকালের হিম বা শুষ্ক বাতাস লাগিয়া সর্দি’।

    ডাল্কামারা ৩। আর্দ্র বায়ু (বর্ষাকালের বায়) লাগিয়া সর্দি।

    ব্রাইয়োনিয়া ৩০, ৬, ৩০। শ্বাসনলীর শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীতে জাজাকর প্রদাহ; কষ্টকর শুষ্ক থকথকে কাসি; কাসিতে কাসিতে অল্প শ্লেষ্মাস্রাব; শ্লেষ্মাতে নাসারন্দ্র রুদ্ধ হওয়া; কাসিবার সময় বন্ধুঃস্থলে বেদনা; চক্ষু দিয়া জল পড়া; পাকস্থলীর ক্রিয়া-বৈলক্ষণ্য; বক্ষঃপার্শ্বে সূচীবিদ্ধবৎ বেদনা: ফাকা জায়গা হইতে ঘরের ভিতর আসিলে কাসির বৃদ্ধি। পানাহারে কাসির বৃদ্ধি। গা-বমি-বমি করিয়া কাসি, কাসিতে কাসিতে বমি।

    তরুণ সর্দি

    ৩১৫

    নাক্স-ভূমিকা ৩-৬। দিনের বেলায় উভয় নাকই খোলা থাকে, কিন্তু

    রাত্রিতে এক নাক বুজিয়া যায়। সর্দি দিবাভাগে তরল, রাত্রিকালে ও ফাঁকা জায়গায় শুল্ক এবং নাক সাঁটিয়া ধরা। শিশুদের নাক বুজিয়া যায় (অ্যামন-কার্ব, স্যাম্পুকাস)। খোলা বাতাসে ভাল থাকে, গরম ঘরে উপসর্গ বাড়ে।

    জেন্সিমিয়াম ৩০।-পৃষ্ঠদেশে শীত করিয়া জার আসা, জরারম্ভের

    পূর্বে মাথা গরম; পিপাসা মাথা ভার মুখমণ্ডল লালবর্ণ, সজল চন্থ; সর্দিজনিত চক্ষু-প্রদাহ, নাড়ী কোমল বা ধীরগতি, গলায় বেদনা, কাসি ও স্বরভঙ্গ, গ্রীষ্মকালের ঠান্ডা লাগা হেতু সর্দি।

    আর্সেনিকাম-অ্যালব্রাম ৩০-৬। নাসারন্ধ্র হইতে অধিক পরিমাণে

    ভরল ‘উত্তপ্ত ও জালাকর শ্লেষ্মাস্রাব, বারম্বার হাঁচি, চক্ষু দিয়া জল পড়া. অত্যন্ত গ্লানি ও তন্দ্রালুতা, অবসন্নতা, নাসিকা, চক্ষু, স্বরনলী ও কন্ঠনলীর অসুস্থতা।

    পাল্সেটিলা ৩, ৬, ৩০। (পাকা সর্দির উৎকৃষ্ট ঔষধ), নাসিকা হইতে দুর্গন্ধযুক্ত হরিদ্রাভ শ্লেষ্মাস্রাব, কর্ণ ও মস্তকের পার্শ্বে তীব্র বেদনা. মাথা ভার; কোন দ্রব্যের স্বাদ ও গন্ধের অনুভূতির অভাব, উষ্ণ গৃহে এবং সন্ধ্যায় পীড়ার বৃদ্ধি।

    মার্কিউরিয়াস ৬। গলায় ও নাসিকায় বেদনা ও ক্ষত, বারম্বার হাঁচি,

    পূজের ন্যায় হরিদ্রাবর্ণের গাঢ় শ্লেষ্মাস্রাব, পর্যায়ক্রমে শীত ও উত্তাপ. চক্ষু-প্রদাহ, সন্ধ্যাকালে পীড়ার বৃদ্ধি, গলা ও গালের বাঁচি আওরান বা টাটাইয়া উঠা, প্রচুর ধর্ম, গলক্ষত, নাসিকা হইতে দুর্গন্ধযুক্ত সবুজ পূজ নিঃসরণ।

    মার্ক-কর ৩০-২০০।- খুব হাঁচি, জ্বালাকর ও ক্ষতকর তরল সর্দি’। নাক-জজ্বালা ও নাকে ঘা। পুঁজের মত দুর্গন্ধ শ্লেষ্মা, হরিদ্রাভ সবুজ স্রাব: রাত্রিকালে এবং ঠাণ্ডায় বৃদ্ধি।

    এরাম-ট্রাইফাইলাম ৬। শরীরের কোন অঙ্গে সর্দি লাগিলে সেই স্থান হাজিয়া যাওয়া (অ্যালিয়াম-সেপা), গলমধ্যে ঘা।

    অ্যামন-কার্ব ৩। শেষ রাত্রিতে কাসির বৃদ্ধি। জলবৎ স্রাব, রাত্রিকালে ছোট ছেলেদের নাক বুজিয়া যায়, সেইজন্য নাক দিয়া’ নিঃশ্বাস ফেলিতে বা প্রশ্বাস গ্রহণ করিতে পারে না।

  • পরিপাক যন্ত্রের-পীড়া

    পরিপাক যন্ত্রের-পীড়া

    (Diseases of the Digestive Organs)

    অজীর্ণ-রোগ

    (Dyspepsia or Indigestion)

    পরিপাক ক্রিয়ার বৈলক্ষণ্যই

    “অজীর্ণতা”। ক্ষুধামান্দ্য, পেটফাপা কোষ্ঠবন্ধতা বা উদরাময়, উদ্ধার উঠা, বমনোদ্বেগ বা বমন, বুক-জালা বা গলা-জবালা, পেটভার, মুখ দিয়া জল উঠা, আহারান্তে পেটবেদনা, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ, মাথাব্যথা, বুক ধড়ফড় করা, নিদ্রাবস্থায় বোবায় ধরা প্রভৃতি এই রোগের প্রধান লক্ষণ। এই রোগ হইতে ক্রমে বাত, বহুমূত্রাদি বহুবিধ উৎকট পীড়ার উৎপত্তি হইতে পারে। পাকাশয় সুস্থ রাখিতে হইলে পানাহারে সংযম ও সতর্কতা এবং পরিমিত শ্রম ও বিশ্রামের প্রতি সবিশেষ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন ।

    কারণ।—অপরিমিত তৈলাক্ত বা ঘৃতাক্ত গুরুপাক দ্রব্য ভোজন, অসময়ে আহার, খাদ্যদ্রব্য উত্তমরূপে চর্বণ না করিয়া উদরস্থ করা, দীর্ঘকাল যাবৎ নানাপ্রকার ঔষধ সেবনে, অতিরিক্ত তামাক, চা বা মদ্যপান, অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রম অথবা একেবারে পরিশ্রম না করা, অস্বাস্থ্যকর স্থানে বা গৃহে বাস, ঠাণ্ডা লাগান, সর্বদা অম্ল বা আচার খাওয়া, কোমরে কাপড় খুব অটিয়া পরা, রক্তস্বল্পতা, মন অপ্রফল থাকা। সোরা ধাতুগ্রস্ত ব্যক্তিগণ প্রায়ই অজীর্ণ রোগে ভুগিয়া থাকে—ইহাদের চর্মরোগ প্রকাশ পাইলে অজীর্ণতা কমিয়া যায়।

    সংক্ষিপ্ত চিকিৎসা

    (১) তৰুণ অজীর্ণ রোগে।- নাক্স, আর্স, ব্রাইয়ো, বিস্মাথ (রাত্রিতে ক্রমাগত দারুণ যন্ত্রণা ; আক্ষেপ ) ; পাল্স (গুরুপাক বা চর্বিযুক্ত আহারের পর অজীর্ণতা) ; আইরিস ( বমন ও উদরাময়সহ শিরঃপীড়া) ; কলোসিন্থ ( টক ফল-মূল খাওয়া হেতু অজীর্ণতা )।

    ;

    (২) পুরাতন অজীর্ণ রোগে।—নাক্স-ভম, আর্স, ব্রাইয়ো, কার্বো-ভেজ, পাল্স, সাফ, ক্যাল্কে-কার্ব, মার্ক, কেলি-বাই, আর্ণিকা, থ,জা, অ্যান্টিম- ফ্রড, লাইকো, থিয়া (চা-পানজনিত অজীর্ণতায় )।

    অজীর্ণ-রোগ

    ২০৩

    (৩) ঠাণ্ডা লাগা হেতু অজীর্ণতায়-অ্যাকোন, ডাকা, মার্ক’। (৪) মানসিক ভাবাদির আতিশয্য-জনিত অজীর্ণতায়-নাঙ্গ-ভম, দূর্ভাবনা ও রাত্রি জাগরণ হেতু অজীর্ণতা— ইগ্নেসিয়া । (৫) দৌর্বল্য-জনিত অজীর্ণতায় চায়না, অ্যাসিড-ফস, ফেরাম।

    কয়েকটি প্রধান ঔষধের লক্ষণ

    নাক্স ভমিকা ৩x – ৩০। আহারের কিছুক্ষণ পর পাকস্থলীতে ভারবোধ ও বেদনা ; বুক-জালা, পেট-ফাঁপা অলোশার ; বারবার ভুক্তদ্রব্য বা পিত্ত- বমন, মুখে তিক্ত অম্লাস্বাদ ; আহারের পর তন্দ্রাবেশ ও আলস্য; প্রাতঃকালে মাথাধরা ও মাথাঘোরা ; বারম্বার মলত্যাগের ইচ্ছা, কিন্তু মল নিঃসরণ হয় না; মুখমণ্ডল ঈষৎ হরিদ্রাভ। তাম্রকট সেবন, মদ্যপান ও বহু প্রকার “গরা”

    ঔষধ সেবন—নাক্স-ভম ১x ফলপ্রদ।

    নেট্রাম-মিউর ১২x চূর্ণ, ৩০।– আলু,, ময়দা প্রভৃতি শ্বেতসারজাতীয় দ্রব্য অধিক পরিমাণে ভোজন-জনিত অজীর্ণতা। মুখ দিয়া জল উঠা, মুখে তিক্ত আস্বাদ, বুক-জালা, শীতবোধ, আহারের পর বুক ধড়ফড় করা ; রক্ত- হীনতা লবণ খাইতে প্রবল ইচ্ছা, কোষ্ঠকাঠিন্য ; অতিরিক্ত ইন্দ্রিয়-চালনা জনিত

    উদরাময়ে ।

    19

    পাল্সেটিলা ৩x – ৩০।–বুক-জালা, বমনেচ্ছা, শিরোঘূর্ণন, জিহ্বা শূষ্ক ও খসখসে, ঘন ঘন তরল বা আমময় ভেদ, মুখে লবণাক্ত, তিক্ত বা অম্লস্বাদ ; শীতবোধ ; বিশেষতঃ অধিক তৈল বা ঘৃতপক্ষ দ্রব্য আহারজনিত অজীর্ণতা ; ফল, পিষ্টক, আইসক্রীম বা কুম্পি-বরফ খাওয়া হেতু অজীর্ণতা। মৃদু-প্রকৃতিবিশিষ্ট নারীগণের বা যাহারা ঋতুর গোলযোগ-জনিত উপসর্গাদিতে ভুগিতেছে, তাহাদের পক্ষে ইহা বিশেষ উপযোগী।

    এবিস নাইগ্রা 3x । – আহারের পর পাকাশয়ে দারুণ যন্ত্রণা ; কোষ্ঠ- কাঠিন্য : বৃদ্ধদিগের অজীর্ণ রোগ।

    অ্যানাকার্ডিয়াম ৩।- আহারের অব্যবহিত পরেই রোগীর যন্ত্রণার সাময়িক উপশম, কিছুক্ষণ পরেই পুনরায় উদরে বেদনা।

    হাইড্রাষ্টিস ১x, ৩x, ৩০।– হলদে চটচটে জিহ্বা, মুখমণ্ডল মলিন দেখায়, পেট “পড়িয়া থাকে।” পেটে শূলবেদনার ন্যায় কষ্টকর যাতনা

    208

    হোমিও পারিবারিক চিকিৎসা

    শাক-সব্জী বা রুটি খাইলে অম্ল, অজীর্ণতা ও দূর্বলতা বাড়ে। পাকস্থলী পূর্ণ ও ভারবোধ, কোষ্ঠকাঠিন্য, শিরঃপীড়া (বিশেষতঃ কপালে) অन- উশার, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় করা।

    নেট্রাম-ফস ৩x—– ১২ চূর্ণ। অম্ল-রোগ; অল-উদ্ধার ও

    ক্রিমি থাকিলে বিশেষ উপযোগী।

    বমন ;

    আর্সেনিক ৩x–৬।— পাকস্থলীতে অত্যন্ত জালাবোধ ; অত্যুষ্ণ জল পানে উপশম : বরফ খাইয়া অজীর্ণ-রোগ।

    ব্রাইয়োনিয়া ৬। —— আহারান্তে পাকস্থলীতে ভারবোধ, মনে হয় যেন পাকস্থলীতে একখণ্ড পাথর চাপান আছে ; কোষ্ঠকাঠিন্য, মল কঠিন, শুষ্ক ও দগ্ধবৎ (দেখিতে ঝামার মত); মাথাঘোরা, মাথাধরা, পাকাশয়ে খোঁচা-বে ধার মত বেদনা ; মুখে তিক্ত বা অল-আস্বাদ এবং পিত্ত-বমন বা বমনেচ্ছা। গ্রীষ্ম- কালীন উদরাময় ; বিশেষতঃ আর্সেনিকের অপব্যবহার জনিত অগ্নিমান্দ্য ; একগুয়ে বা খিটখিটে মেজাজ।

    ;

    লাইকোপোডিয়াম ৬, ৩০, ২০০।– মলদ্বার দিয়া বায়ু নিঃসরণ ; নিবীর্য্য রোগীর অজীর্ণ, ভক্তদ্রব্য পরিপাকের সময় অতিশয় তন্দ্রা ও নিদ্রাভঙ্গের পরই অবসন্নতা; উদরে বায়ু সঞ্চয় হেতু পেটফাঁপা ; কোষ্ঠবদ্ধতা ; পেট ভুটভাট করা, অল-উজ্জার বা টক ঢেকুর; বামদিকের অস্ত্র কর্ণপিতে থাকা। দুর্বলতা বা অধ্যয়নাদিজনিত অপরিপাক ; পেশীর ক্ষমতা হ্রাস হইয়া বা পরিপাক-রসের অভাববশতঃ অজীর্ণ রোগ।

    কার্বো-ভেজ ৩x চূর্ণ, ৩০।–ঊর্ধ্ব দিকে বায়ু নিঃসরণ (ঢেকুর উঠা ) ; পেট-ফাঁপা, বুক-জ্বালা, উদরাময়, মাথাধরা ও দুর্বলতা; পুরাতন অগ্নিমান্দ্য বা বৃদ্ধদিগের অগ্নিমান্দ্য রোগে বিশেষ উপযোগী।

    মুখ দিয়া অবিরত স্বাদহীন জল উঠা বা কট, তিক্ত, ঝাল বা পচা গন্ধযুক্ত উপার উঠা ; কিম্বা পর্যায়ক্রমে উদরাময় ও কোষ্ঠবদ্ধতা উপসর্গে, কার্বো-ভেজ ৩x বিচূর্ণ।

    সিপিয়া ৬।পুরাতন অজীর্ণ রোগ (বিশেষতঃ জরায়ুদোষ থাকিলে ) মলদ্বারে ভারবোধ, টক বা তিক্ত আস্বাদ, অল, আচার প্রভৃতি খাইবার ইচ্ছা, ত্বক মলিন ও হরিদ্রাবর্ণ।

    অ্যান্টিম-ফ্রড ৬।——পরিপাক-শক্তি হ্রাস; পাকস্থলীতে ভারবোধ; বমনেচ্ছা

    ২০৫

    এবং পিত্ত বা শ্লেষ্মা-বমন; দূগন্ধ বায়ু নিঃসরণ; ভুক্তদ্রব্যের আস্বাদবিশিষ্ট কোষ্ঠবদ্ধতা ও উদরাময় (পর্যায়ক্রমে ) ; মুখমণ্ডলে কুসকুড়ি বা নাসারন্ধ্রে ও ওষ্ঠে ক্ষত ; জিহ্বা সাদা পুরু ক্লেদারত। অরুচি, খাইবার পর

    উদর-স্ফীতি।

    ফোরাস ৩০। পুরাতন অজীর্ণ রোগ অল-উল্লার वा অल-वगन, অতিশয় ভূষা, পেটফাপা, জিহ্বা লেপাকৃত, পেটে জালাবোধ, জল পানে উপশম, কিন্তু জলটকুও (পানের একটু পরেই) বমি হইয়া যায়। চায়না ৩X, ২০০।- ম্যালেরিয়াজনিত অজীর্ণতায় এবং দীর্ঘকাল সুরাপানজনিত পুরাতন অজীর্ণ রোগ, শোথ, যকৃৎ-প্রদাহ প্রভৃতি লক্ষণসহ । মার্ক সল ৩x, ৬, অ্যাকটিয়া-রেসিমোসা ৬ ও থিয়া ৩০। দীর্ঘকাল

    চা-পান হেতু অজীর্ণ রোগ।

    প্লাম্বাম ৬, ২০০। ঠাণ্ডা লাগা হেতু অগ্নিমান্দ্য। পেটে চাপবোধ : শক্ত জিনিষ খাইতে পারে না ; উদরশূল, কোষ্ঠকাঠিন্য।

    আর্জেন্ট-নাইট্টি ৬, ২০০।- রক্তহীনতা প্রভৃতি কারণে অজীর্ণ রোগ ;

    পাকাশয়ে বেদনাসহ অম্লরোগ, উদ্ধার।

    পূজা ৬, ৩০।–বেশী মাত্রায় চা-পান জনিত উপসর্গ ; ক্ষুধালোপ, আহারের পর পেটব্যথা ; উদরে বায়ু সঞ্চয় ; উপর পেটে ব্যথা ; পিপাসা, আলু, মাংস ও পেয়াজে অরুচি।

    ;

    কেলি-বাই ৬।—অধিক পরিমাণে “বিয়ার” নামক মদ্যপান জনিত উপসর্গ ; জলে বিতৃষ্ণা ; অলদ্রব্য খাইতে ইচ্ছা ; আহারের পর এবং মুক্তবায়ু সেবনে বমনেচ্ছার উপশম, কিন্তু উদরে কৰ্ত্তনবৎ যন্ত্রণা; হরিদ্রাবর্ণ জলবৎ বমন ; মাংস অসহ্য, খাইবার পর পেটে ভারবোধ।

    ;

    নাক্স-মস্কেটা ২x–৬।–বাহ্য ঔষধাদি প্রয়োগে চর্মরোগ বসিয়া গিয়া অজীর্ণ হইলে ; আহারের পরই শূলবৎ পেটব্যথা (কেলি-বাই)। পেটে খেচুনি, পেটে জালা ও পেট গরম ; উদর পূর্ণ, তজ্জন্য শ্বাসকষ্ট। বৃদ্ধ ব্যক্তিদিগের অজীর্ণ রোগ।

    হিপার-সাফার ৬ বা ১২।——পুরাতন অজীর্ণ রোগে যখন আর কোন দ্রব্যই পরিপাক হয় না। টক বা আচার খাইবার ইচ্ছা ; পারদ অপব্যবহার জনিত অগ্নিমান্দ্য।

    সাফার ৩০, ২০০।—অম্ল-উগার ; পাকাশয়ে ভারবোধ, আহারান্তে তন্দ্রালুতা ; মুখপ্রান্তে এবং ওষ্ঠে ক্ষত ও স্ফীতি ; পুনঃ পুনঃ অজীর্ণতা ; প্রাতঃকালে সাফার ৩০ ও সূর্যাস্তকালে নাক্স- কোষ্ঠকাঠিন্য ও অর্শ । ভূমিকা ৩০–এই দুইটি ঔষধ অনুরূপভাবে প্রয়োগ করিয়া অজীর্ণ রোগে অনেক লব্ধপ্রতিষ্ঠ চিকিৎসক আশাতীত সফল পাইয়াছেন বলিয়া থাকেন ৷

    ক্যাল্কেরিয়া-কাৰ’ ৬, ১২ বা ৩০।–কট, অম্লোল্গার-বিশিষ্ট পুরাতন অগ্নিমান্দ্য ; কাসি ; ধীরে ধীরে শরীর শীর্ণ হইতে থাকা। প্রচুর ঋতুস্রাব । আহারের পরেই ভুক্তদ্রব্য অম্ল হইয়া যাওয়া ; অম্ল-উগার বা অম্ল-বমন। পাম্সেটিলা সেবনের পর ইহা উপযোগী।

    আইয়োডিয়াম ৬, পেট্রোলিয়াম ৬ সময়ে সময়ে আবশ্যক হয়। রোগ” দ্রষ্টব্য।

    “অম্ল-

    অবশ্য

    বায়োকেমিক মতে লক্ষণানুসারে নিম্নে বর্ণিত অজৈব লবণ প্রয়োগ দ্বারা পরিপাক দোষজনিত যাবতীয় পীড়া আরোগ্য হইয়া থাকে। বহুদিনের পাঁড়া আরোগ্য হওয়া সময় সাপেক্ষ, কিন্তু আহার বিহারে সংযম উপেক্ষা করিলে চিকিৎসাই ব্যর্থ হইবে।

    ফেরাম-ফস ৬x।—গ্যাস্ট্রাইটিস সহ বেদনা ও স্ফীতি, স্পর্শ অসহ্য ; অজীর্ণ খাদ্য বমন। জিহ্বা পরিষ্কার।

    কেলি-মিউর ৬x, ১২x । – জিহ্বা শ্বেত বা ধূসরাভ শ্বেত লেপাকৃত। যকৃতের দোষ ঘটিত অজীর্ণ রোগে শ্রেষ্ঠ ঔষধ। ঘৃতযুক্ত বা চর্বি সংযুক্ত গুরুপাক খাদ্য সেবনে পাকাশয় বিকৃতি, অস্বস্তিবোধ ও বিবমিষা।

    নেট্রাম-ফস ৬x – ৩০x — পাকাশয়ের ক্ষত। ‘বুকজালা” রোগে এই ঔষধসহ একান্তরক্রমে ‘ফেরাম-ফস’ প্রয়োগ ফলদায়ক।

    কেলি-ফস ৬x, ১২x । —— অবসাদসহ অজীর্ণরোগ, আধান ও উদ্ধার। ‘পাকাশয় পরিপোষক স্নায়ুর বিশৃঙ্খলা হেতু ক্ষত ; স্নায়বিক উপসর্গ। উদ্গার। একটা ক্ষুদ্রস্থানে নিরন্তর বেদনা।

    নেট্রাম-মি ১২x, ৩০x । — কোষ্ঠকাঠিন্য সহবত্তী অজীর্ণরোগ। রুটি, খাইতে অরুচি, রুটি সহ্য হয় না। গলা পর্যন্ত জল উঠে, কিন্তু টক নহে।

    কেলি-সাল্ফ ৬x, ১২x । — পুরাতন গ্যাস্ট্রাইটিস রোগের শ্রেষ্ঠ ঔষধ।

    ২০৭

    নেট্রাম-মি এবং

    পীতবর্ণ, পিচ্ছিল, ক্লেদাবৃত জিহ্বা ; মুখে বিকৃত স্বাদ। কেলি-মি ব্যর্থ হইলে কেলি-সাফ অনেক সময় সুন্দর কাজ দেয়।

    কয়েকটি বিশেষ লক্ষণের ঔষধ

    মুখ দিয়া জন উঠা। কার্বো-ভেজ ৩X চূর্ণ, ব্রাইয়োনিয়া ৬, ভূমিকা ৩০, লাইকোপোডিয়াম ৩০।

    ক্ষুধামান্দ্য। -ক্যাল্কে-কার্ব, চায়না, ফেরাম।

    রাক্ষুসে ক্ষুধা। চায়না, সিনা, আয়োড, নেট্রাম-মিউর। পেট-ফাঁপা। —লাইকোপোডিয়াম ( কোষ্ঠকাঠিন্যসহ ).

    (উদরাময়সহ)।

    #141-089

    বুক-জালা। –ক্যাঙ্কে-কার্ব ৬, ক্যাপ্সিকাম ৬, কার্বো-ভেজ ৬,

    নাক্স-ভ।মকা ৩০, পাল্সেটিলা ৩০।

    দুর্গন্ধ ঢেকুর উঠা।—কার্বো-ভেজ ৬. সাফার ৩০।

    অম্লরোগ।—অ্যাসিড-সাফ

    ২x৩০, ক্যাল্কেরিয়া-কার্ব ৬-00. নেট্রাম-ফস ৩x – ১২x চূর্ণ, ফস্ফোরাস ৬, রিউম ৩০. রোবিনিয়া ৩. ক্যারিকা-পেপেয়া (৫–১০ ফোঁটা) আহারান্তে সেব্য।

    হিক্কা । -অ্যাসিড-সাল্ফ ( অম্লরোগসহ হিক্কা ) ; নাক্স ভমিকা, আর্সে’- নিক, কলোফাইলাম, জেল্সিমিয়াম।

    বুক চাপা স্বপ্ন।——নাক্স ভমিকা ১x—৩০ (নেশা করা বা অজীর্ণতা হেতু ) ; চায়না ( স্বপ্নে বক্ষঃস্থলে বেশী চাপবোধ ); সাফার (স্বপ্নে বেশী বুক ধড়ফড় করা ) ।

    আহারাদির দোষে অজীর্ণ রোগ।—পিষ্টক, চর্বিযুক্ত, তৈলাক্ত বা ঘৃতপক্ক দ্রব্যাদি (লুচি, কচুরি, পোলাও প্রভৃতি) আহার বা অধিক পরিমাণে শীতল পানীয় পানহেতু অজীর্ণ রোগ—পাল্সেটিলা ৩–৬।

    কাফি বা মদ্য, বিশেষতঃ ‘হুইস্কি’ পান, রাত্রি জাগরণ, আফিং সেবন, চিংড়ি বা ডিমের শ্বেতাংশ ভোজনজনিত অজীর্ণ—নাক্স-ভম ৩x–৩০। দগ্ধ হজম হয় না ; বুগ্ধ পানে অজীর্ণতা ও পেটে কত্ত নিবং যন্ত্রণা— ইথুজা ৬।

    অম্ল বা টক খাইয়া অজীর্ণতায়—অ্যান্টিম-ক্রুড ৬।

    পচা মাছ-মাংস বা মাখন খাইয়া অজীর্ণতায় – কার্বো-ভেজ ৬।

    জন, কুলপি-বরফ ा বেশী

    জল খাইয়া অজীর্ণতায়-

    বরফ আর্সেনিক ৬।

    তরকারী খাইবার পর অজীর্ণতায়—সিপিয়া ৩০। লবণের অপব্যবহার জনিত অজীর্ণতায়—ফস্ফোরাস মিউর ৩০।

    ৬. নেট্রাম-

    ফুটি ও তরমুজ ভক্ষণ বা দূষিত-জল পান হেতু অজীর্ণ রোগ হইলে—জিঞ্জিবার ৩–৬।

    অতিরিক্ত ফল আহার হেতু অজীর্ণতা জন্মিলে, চায়না ৩ বা আর্সেনিক ৬ ( ফল পরিপাক না হইয়া অজীর্ণ অবস্থায় নির্গত হইতে থাকিলে ও পেটে জালা অনুভূত হইলে —চায়না সমধিক উপযোগী)।

    আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা। — প্রত্যহ প্রাতে ৪০।৫০টি চাউল মুখে দিয়া এক গ্লাস জল পান করা এবং পেটে উত্তমরূপে সরিষার তৈল মালিশ করা উপকারী। শুষ্ক মুড়ি খাওয়া উপকারী। প্রত্যহ অন্ততঃ ৩ মাইল ভ্রমণ কৰ্ত্তব্য। লঘু

    ব্যায়াম হিতকর।

    পালনীয় নিয়ম। —অজীর্ণ রোগে পথ্যাপথ্যের নিয়ম পালন না করিয়া কেবল ঔষধ সেবনে ফল হয় না । প্রত্যহ নির্দিষ্ট সময়ে স্নান-আহার করা বিধেয়। ভোজ্যদ্রব্য ধীরে ধীরে চর্বণ করিয়া গলাধঃকরণ করা উচিত। শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রমের অব্যবহিত পূর্বে বা পরে আহার হানিকর। গুরুপাক দ্রব্য (লঙ্কা বা গরম-মশলাযুক্ত কিম্বা তৈল ও ঘৃতাক্ত ব্যঞ্জনাদি ) যথা সম্ভব বর্জনীয়। দিবা-নিদ্রা, রাত্রি জাগরণ, অধিক রাত্রিতে ভোজন, রাত্রিতে আহার করিয়াই শয়ন পরিত্যাজ্য। পানের রসসহ লেবুর রস মিশাইয়া খাইলে অরুচি দমন হয়। আহারের তিন ঘণ্টা পরে কতকটা লেবুর রস জলসহ খাওয়া বিশেষ হিতকর। পোরের ভাত, ঘোল ও আনারসের রস সুপথ্য। আপেল (সিদ্ধ), আঙ্গুর, ডালিম, পেপে প্রভৃতি সুপাচ্য ফল খাইতে বাধা নাই। ডাবের জল ও নারিকেলের নরম শাঁস এই রোগে উপকারী। পুরাতন চাউলের ভাত বা চিড়া গরম জলে ভিজাইয়া দধি বা ঘোলের সহিত খাইলে অনেক সময় উপকার পাওয়া যায়। দধি এবং কর্ণচা পেপের তরকারি এবং কখন কখনও দুগ্ধ এই রোগে সপথ্য। জিনিষ, ডাল এবং চা, কফি ও কোকো প্রভৃতি অপথ্য। প্রতিবার আহারের

    “ভাজা”

    ২০৯

    বিশ-পচিশ মিনিট পূর্বে এক পোয়া আন্দাজ গরম জল পান করিলে, কখন কখনও অজীর্ণ রোগ সারিয়া যায়। ভোজনকালে অধিক পরিমাণে জল পান করা হানিকর ; ভোজনের দুই-তিন ঘণ্টা পরে জল পান করা হিতকর। অন্নব্যঞ্জনাদি সুসিদ্ধ হওয়া আবশ্যক। বেশী বাই-কার্বনেট-অব-সোডা বা চাপের জল কিবা অধিক মাত্রায় সোডা ওয়াটার ব্যবহার করা উচিত নহে। বরফ ও আইসক্র বিশেষ অপকারী। কেহ কেহ বলেন, ভোজনের পরই শিশুর ন্যায় ক্ষণকাল হামাগুড়ি দেওয়া বা শুইয়া কয়েকবার চিৎ-উপর হইয়া উলটি-পালটি খাওয়া

    হজমের সহায়ক।

    কাঁচা পেয়াজ ভক্ষণে পাচক রসের (gastric juice) অनত্ব বর্ণিত হয়। [ জার্মাণির অন্তঃপাতী মিউনিক নগরের সুপ্রসিদ্ধ ডাক্তার Wilbrands Report of experiment in the Muenchener Medizinsche Moch- enscrift দ্রষ্টব্য ]। যাহাদের অতিরিক্ত পরিমাণে পাচক রস ক্ষরণ হয় তাহাদের পক্ষে আহারের অন্ততঃ অৰ্দ্ধ ঘণ্টা পূর্বে খানিকটা করিয়া কাঁচা পেয়াজ খাইলে উপকার হইতে পারে।

    রাণীগঞ্জ, ছোটনাগপুর, সাঁওতাল-পরগণা প্রভৃতি যে যে স্থানের জলে বহুল পরিমাণে ধাতব বস্তু আছে (minerals) বিশেষ করিয়া অস্ত্র (Mica) আছে, সেই সেই স্থান যকৃৎ দোষযুক্ত অজীর্ণ রোগীর পক্ষে অনুপযোগী : এতাদশ রোগীর পক্ষে কাশী, বিন্ধ্যাচল বা ভুবনেশ্বরের মত স্থানসমূহ হিতকর।

    পথ্য। —লঘু ও পুষ্টিকর সুসিদ্ধ দ্রব্য এবং ফল সুপথ্য।

    অপথ্য।—ঘৃতপক্ব বা অধিক তৈলাক্ত দ্রব্য; মাংস, ডিম, গাঢ় দুষ্ক, চিংড়ি মাছ, কাঁকড়া, কাঁঠাল, মূলা প্রভৃতি অনিষ্টকর।

    ST

    অজীর্ণতা-জনিত শিরোঘূর্ণন

    (ভার্টিগো)

    অজীর্ণতা বা পাকাশয়ের গোলমালজনিত “মুদ, প্রকৃতির” শিরোশন হইয়া থাকে; “উৎকট” শিরোঘূর্ণন ঘটিলে বুঝিতে হইবে যে, মস্তিাত হৃৎপিণ্ড বা মূত্র-গ্রন্থির কোন পাঁড়ার সহিত ইহা সংশ্লিষ্ট। মস্তিষ্কেন গঠন-পরিবর্ত’নাদি কারণে “সিরোঘূর্ণন” হইতে পারে।

    সংক্ষিপ্ত চিকিৎসা। অজীর্ণতা জনিত শিরোণ’নে নাগ-তম, পালন ব্রাইয়ো প্রভৃতি অজীর্ণ রোগের ঔষধ প্রযোজ্য।

    অত্যধিক মানসিক পরিশ্রমজনিত মস্তিষ্কের দৌর্বল্যহেতু শিরোঘূর্ণনে ফস্কো-অ্যাসিড, চায়না, কম্ফো, জিঙ্ক প্রভৃতি ফলপ্রদ।

    মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চয় জনিত শিরোঘূর্ণনে-বেলেডোনা, জেল্সিমিয়া গ্লোনইনাম, ককিউলাস প্রভৃতি ঔষধ উপকারী (স্নায়ুমণ্ডলের রোগাধ্যাে “শিরোঘূর্ণন” দ্রষ্টব্য)।

    কর্তব্য। পালনীয় নিয়ম। বিশ্রাম এবং যতটা সম্ভৰ স্থির হইয়া শুইয়া থাক

    অপধা। গুরপাক দ্রব্য, ঘি. তৈল, মাংস, ডিম, মশলাযুক্ত খাদ প্রভৃতি।

    মুখ দিয়া জল উঠা

    (পাইরোসিস)

    অজীর্ণতা, যকৃৎ, পাকাশয় বা পাকাশয়িক সর্দি প্রভৃতি রোগ হেতু মূল দিয়া টক স্বাদহীন ঢেকুর ও তৎসহ বেশী জল উঠে। সচরাচর দুষ্পাচ্য ব অপুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া হেতু এই পীড়া হইতে দেখা যায়।

    অম্লরোগ

    ২১১

    চিকিৎসা। কারো-ভেজ ৩০ বিচুর্ণ (টক বা ঝাল ঢেকুর, পেট ফাঁপা, উদরাময় বা কোষ্ঠকাঠিন্য), লাইকো ৬-৩০ (পুরাতন রোগে); নাক্স-তম ১.৫-৬. অ্যাসিড-সাল্ফ ৩৯, ব্রাইয়ো ৩. পাল্স ৩ প্রভৃতি অজীর্ণ’ রোগের ঔষধ এই রোগেও প্রযোজ্য।

    পথ্য। -ব্যাধি উৎকট হইলে একমাত্র ঘোল ব্যবস্থা, দুগ্ধ হানিকর।

    অক্ষুধা

    (ক্ষুধামন্দা)

    যক্ষ্মা বা অম্ল-অজীর্ণ রোগে (অথবা কোন পুরাতন পীড়াসহ) ক্ষুধা কমিয়া যায়, এমন কি কখন কখনও সম্পূর্ণরূপে লুপ্ত হয়। আমরা এরূপ স্থলে জন্সিয়ানা-লুটিয়া ও অর্ধ ফোঁটা (আহারের অর্ধঘণ্টা পূর্বে) সেবনের ব্যবস্থা করিয়া আশাতীত ফল পাইয়া আসিতেছি। জেন্সিয়ানা বিফল হইলে হাইড্র্যান্টিস্, অ্যান্টিম-ব্রুড, নাক্স-ভম, প্রণাস-স্পাই, ইগ্লেসিয়া বা রাস-টক্স ব্যবস্থা।

    আনুষঙ্গিক চিকিৎসা। সহ্যমত সকালে-বিকালে মুক্তবায়ুতে ভ্রমণ,

    প্রাতঃকালে শীতল জল পান, কমলালেবু, মুছম্বি প্রভৃতি জাতীয় ফলের রস পান হিতকর। পথ্যাদির পরিবর্ত’ন করিয়া রুচি বৃদ্ধির চেষ্টা করা যাইতে পারে।

    অম্ল-রোগ

    (অম্লতা)

    ইহা একপ্রকার অজীর্ণ রোগ বিশেষ: পাকস্থলীতে বহুল পরিমাণে অ্যাসিড (hydrochloric acid) নিঃসারিত হইলে অম্ল-রোগ হইয়াছে বলা হয়। উদর-গহ্বরের উষ্ণতাবোধ, আহারের দুই-এক ঘণ্টা পরই পেটে বেদনা, মুখ দিয়া টক উপার বা জল উঠা, মুখে অম্ল-আস্বাদ, বলক্ষয়, বুক-

    ২১২

    হোমিও পারিবারিক চিকিৎসা

    জজালা, বমন, কোষ্ঠকাঠিন্য বা উদরাময়, শিরঃপীড়া, পিপাসা প্রভৃতি ইহার প্রধান লক্ষণ।

    পাকাশয়িক ক্ষত বা হরিৎ-পীড়াগ্রস্ত ব্যক্তিদিগের অথবা যাহারা বেশী মাত্রায় কাফি বা তামাকু সেবন করে, যাহারা আহারে অসংযমী কিংবা শোক-দুঃখাদিতে যাহারা অভিভূত, সচরাচর তাহাদেরই এই পীড়া হইয়া থাকে।

    চিকিৎসা

    ডাক্তার হিউজেস বলেন, ক্যাল্কে-কার্ব ৬-৩০ ইহার সর্বোৎকৃষ্ট ঔষধ।

    সাফিউরিক-অ্যাসিড ২০-৩০।-বুক-জজ্বালা, অম্ল-উচ্ছ্বার, অম্ল-

    বমন, শরীরে টক গন্ধ, দুর্গন্ধ কৃষ্ণবর্ণ ভেদ, হিক্কা।

    রোবিনিয়া ৩। (দীর্ঘকাল সেব্য) এই রোগের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ।

    ভেদ-বমন, ঢেকুর ও টক ঘাম; দাঁত টকিয়া যায়। গাত্রে টক গন্ধ; বমন সবুজাভ; ঢেকুর কট-কষায় আস্বাদযুক্ত; পেটে জালা, বিশেষতঃ রাত্রিকালে বারম্বার মলত্যাগের ইচ্ছা, কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্য; পেট ফাঁপা; সম্মুখ কপালে বেদনা।

    নেট্রাম-ফস ৩০-১২x চূর্ণ। অম্ল-উদ্ধার ও অম্ল-বমন।

    পাকাশয়ে বেদনা ও উর্ধ্ব দিকে বায়ু-নিঃসরণে, ঢেকুর উঠিলে আরামবোধ লক্ষণে, আর্জ-নাই ৬। পুরাতন অম্লরোগে (বিশেষতঃ উদ্ধার ও রাক্ষুসে ক্ষুধা থাকিলে), ফস্ফোরাস ৩০। পুরাতন রোগে (বিশেষতঃ প্রাতঃকালীন উদরাময় বা কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথা-জ্বালা প্রভৃতি লক্ষণে), সাল্ফার ৩০। অম্ল-উদ্ধার বা জল-উঠা লক্ষণে (বিশেষতঃ বৃদ্ধদিগের অম্ল-রোগে), কেলি-কার্ব ৬। পেট ফাঁপিলে, কার্বো-ভেজ ৬। আহারের পরই (বিশেষতঃ তৈল, চবি’ বা চিনি খাইবার পরই) ভুক্তদ্রব্য টক হইয়া উঠিলে, ক্যাল্কে-কার্ব ৬। উদরে বায়ু-সঞ্চয়, কোষ্ঠকাঠিন্য, লাল তলানিযুক্ত মূত্র প্রভৃতি লক্ষণে, লাইকো ৩০। পেটে কিছু না তলাইলে, ম্যাঙ্গেনাম ৬ বা ম্যাগ্নেসিয়া-ফস ৬০।

    আনুষঙ্গিক চিকিৎসা। তরুণ রোগের প্রবল অবস্থায় কিছু খাওয়া উচিত নহে। মিষ্ট, অম্ল, তৈলাক্ত বা শ্বেতসারযুক্ত পদার্থ ভাজাদ্রব্য ডাল, ডিম. মশলাযুক্ত মাংস প্রভৃতি গুরুপাকদ্রব্য পরিত্যাজ্য। আহারের দুই ঘণ্টা রে ঈষদুষ্ণ জলসহ লেবুর রস খাওয়া ভাল। চুণের জল বা বাই-কার্বনেট-ফে-সোডা প্রত্যহ বেশী মাত্রায় খাইলে পীড়া প্রায়ই দূরারোগ্য হইয়া দাঁড়ায়,

    এসডি

    বমন ও বমনেচ্ছা

    ২১৩

    কাজেই এইগুলি ব্যবহার করা সম্বন্ধে সাবধানতা অবলম্বন করা কর্তব্য। (“অজীর্ণ-রোগ” ও শূল-বেদনায় “অল-শূল” দ্রষ্টব্য)।

    পালনীয় নিয়ম।-নির্দিষ্ট সময়ে আহার এবং পরিমাণে কম খাওয়া বিধেয়। আহারের সময় জল পান না করা ভাল। উত্তমরূপে চিবাইয়া আহার করা কর্তব্য। আহারের ২।৩ ঘন্টা পর জল পান হিতকারী। ভোরে চাল-জল এবং কমলালেবু বা বাতাবী লেবু ইত্যাদি খাওয়া উপকারী। নির্মল বায়ু সেবন ও ভ্রমণ হিতকর।

    পথ্য।-মিষ্ট ফল, ছোট মাছের রোগা ঝোল, কাঁচকলা, কাঁচা দে’পে. চরকারি সিদ্ধ ইত্যাদি সহজপাচ্য খাদ্য। শুকনা মুড়ি, আদা, এক বলকের দুধ, টক হয় নাই এমন দৈ বা ঘোল প্রভৃতি উপকারী।

    বমন ও বমনেচ্ছা

    (বমি ও বমি বমি ভাব)

    নানা কারণে বমন হইতে পারে। যেমন-অগ্নিমান্দ্য, অপরিমিত ভোজন, দুর্বলতা, স্নায়ুমণ্ডলের পীড়া, যকৃৎ ও জরায়ুর রোগ, ক্রিমিদোষ, গর্ভাবস্থায় অধিক জল পান বা নৌকা-শকটাদিতে ভ্রমণ। মৃগী প্রভৃতি রোগে বমন বা বমনেচ্ছা কুলক্ষণ। হিষ্টিরিয়া বা গর্ভাবস্থায় বমন আশঙ্কাজনক নয়।

    চিকিৎসা

    ইপিকাক ৩।-আমাশয়িক বমন; অবিরত বমনেচ্ছা, জলবং লালাস্রাব, পাকস্থলীতে শূন্যতা অনুভব, সবুজবর্ণ ও কৃষ্ণবর্ণ অথবা শ্লেষ্ম মিশ্রিত বমন। কাঠ-বমি; ভুক্তদ্রব্য বমন।

    রোবিনিয়া ৩-৬। বমনেচ্ছা; বেশী টক ও জলীয় পদার্থ বমন। আর্সেনিক ৩০-৩০। আমাশয়ে ক্ষত জনিত বমনেচ্ছা বা বমন এবং পাকস্থলীতে উত্তাপ ও জালাবোধ। অজীর্ণতা হেতু বুকজালাসহ (আহারান্তে) বমন। উদরাময় থামিয়া বমনেচ্ছা ও তজ্জন্য দুর্বলতা। জিহ্বা রক্তবর্ণ’।

    দ 

    ২১৪ 

    হ োমি ও পারি বারি ক চি কি ৎসা 

    অ্যান্টি ম-ক্রুড ৬। পাকস্থলীতে ভারব োধ; মলি ন সাদা লে পযুক্ত জি হা অরুচি বা বমনে চ্ছা। 

    অ্যাপ োমফি য়া ৩। বমন োদ্বে গ ব্যতীত সহসা বমন হইতে থাকি লে (মদ্যপায়ী ও অহি ফে ন সে বনকারীদি গে র বমনে ও ইহা উপয োগী)। 

    আইরি স-ভার্স ৬। অমল বা তি ক্ত বমন অথবা ভুক্তদ্রব্য বমন; শি রঃপীড়া ও উদার উঠা লক্ষণসহ অম্ল-পি ত্ত বমন। 

    ক্রি য়াজ োট ৬। ক্ষয়কাস: যকৃতে র পীড়া বা মত্রূক োষে র পীড়াজনি ত বমন: গর্ভাবস্থায় বমন শুধুকাঠ-বমি প্রাতঃকালে বমনে চ্ছা হি স্টি রি য়া-জনি ত বমন। বমন বহুকাল স্থায়ী হইলে । 

    সি কে লি -কর ৩ (পুরাতন বমন র োগ: টক শ্লে ষ্মা বমনসহ দর্গুার্গস্থ উপার)। ফস্ফ োরাস ৩-৬ (খাদ্য উদর মধ্যে উষ্ণ হইবামাত্রই বমন হইয়া উঠিয়া যায়)। জি ঙ্ক ৬ (বমন োদ্বে গ ব্যতীত সহসা বমন ও দে হ শীর্ণ হইতে থাকা)। 

    মস্তকে আঘাতজনি ত বমনে -আর্ণি ‘র্ণিকা ৬; গাড়ী, পাল্কী, ন ৌকা, জাহাজ বা প্লে নে ভ্রমণজনি ত বমনে ককি উলাস ৬, পে ট্র োলি য়াম ৬. কে লি -ফস ১২০ চূর্ণ বা নে ট্রাম-ফস ১২০ চূর্ণ।র্ণ উজ্জল লালবর্ণ রক্তবমনে ইপি কাক ৩০ বা মি লি ফ োলি য়াম ১০। কালচে রক্তবমনে হ্যামামে লি স ১০। পি ত্তবমন 

    -আইরি স-ভার্স ৩, পড োফাইলাম ৬, ব্রাইয় োনি য়া ৩ বা মার্ক-সল ৬। সূরাপায়ীদি গে র বমন, বমনে র পরই বমনে চ্ছার নি বত্তিৃত্তি লক্ষণে -অ্যান্টি ম-টাট ৬। দগ্ধু পানে র পরে ই বমন বা শি শুদি গে র দগ্ধু -বমন-ইথজু া ৩-৬: 

    “অজীর্ণরর্ণরোগ”, “অম্লর োগ”, “রক্তবমন” ও “সূতি কাজর” দ্রষ্টব্য। 

    আনষুঙ্গি ক চি কি ৎসা। ক োন বি ষাক্ত পদার্থ’ উদরস্থ হইয়া বসন হইলে , সে ই বি ষ যাহাতে সত্বর পাকস্থলী হইতে বাহি র হয় তাহার ব্যবস্থা করা কর্তব্য। পাকস্থলী বা অপর ক োন যন্ত্রে র উত্তে জনাবশতঃ বমন হইলে , গরম ঢল পানে উপকার হয়। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বরফে র টুকরা চুষি তে দি লে ও উপকার দর্শে ‘। স োডা ওয়াটারসহ সম পরি মাণ দগ্ধু খাওয়াইলে বমন নি বারি ত হইতে পারে । পাকস্থলী বি শ্রাম পাইলে ই বমন নি বত্তৃ হয়। অগ্নি মান্দ্য জনি ত বমনে কচি ডাবে র জল ও মড়িুড়ি ভি জান জল হি তকর। 

    এসডি 

    লে ন োভ ো আইডি য়াপ্যাড ৩৩০৫ 

    ক োষ্ঠকাঠিন্য 

    ২১৫ 

    পথ্য। পুরাতন চাউলে র ভাত, খইমণ্ড, সাগু, বাজি ‘ বা এরারুট, স.প. নব, নারি কে ল, পাকা কয়ে ৎবে ল, কি শমি শ ও পাতলা ঘ োল সে বনীয়। 

    ক োষ্ঠকাঠিন্য 

    (ক োষ্ঠকাঠিন্য)

    নানা কারণে ক োষ্ঠকাঠিন্য হইতে পারে এবং ইহা অনে ক র োগে র লক্ষণ মধ্যে ও গণ্য। ক োনপ্রকার শারীরি ক পরি শ্রম না করি য়া ঘরে বসি য়া থাকা. রাত্রি জাগরণ, বে শী উগ্র কাফি বা চা এবং মাদক দ্রব্য সে বন, শ োক, দঃুখ ও ভয় পাওয়া, পড়ি য়া যাওয়া, যকৃতে র পীড়া, বার্ধক্য, অহি তকর দ্রব্য ভ োজন, দীর্ঘস্থায়ী র োগে র ফলে বা অন্য ক োনও কারণ বশতঃ অন্ত্রে র পে শীর দর্বুর্বলতা, উদরমধ্যে ক োনও আব হইয়া অস্ত্রগাত্রে চাপ পড়া, অস্ত্রগাত্রে ঘা হইয়া তাহা শুকাইবার ফলে উহার গঠন ছ োট হইয়া যাওয়া অথবা ক্রমাগত জ োলাপ লইবার অভ্যাস ইত্যাদি কারণে ক োষ্ঠকাঠিন্য জন্মি তে পারে । ক োষ্ঠকাঠিন্য হইলে সঞ্চি ত মল নাড়ীতে পচি তে থাকে ও পচা মলে র সূক্ষ্মাংশ রক্ত-মাংসে সঞ্চারি ত হইয়া শরীরে র বহু অনি ষ্ট সাধন করে । অতএব ক োষ্ঠকাঠিন্য ক োন কারণে ই উপে ক্ষণীয় নহে । ক োষ্ঠকাঠিন্য হইলে প্রায়ই শি রঃপীড়া, জরভাব, অরুচি , অস্বাচ্ছন্দ্য, প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়। ক োষ্ঠকাঠিন্য বহুদি ন থাকি লে রুমে অর্শ ও গয়সী বাত জন্মি তে পারে । 

    চি কি ৎসা 

    ডাক্তার স্যান্ডস্-মি ল্ন্সে র মতে ব্রাইয় োনি য়া, গ্র্যাফাইটিস, ওপি য়াম. প্লাম্বাম ও নাক্স-ভমি কা ইহার উৎকৃষ্ট ঔষধ। 

    গ্র্যাফাইটিস ৬ (দি বসে দইুবার করি য়া কয়ে ক মাস যাবৎ সে বন বি ধে য়) -মল বহৃ ৎ ও নি ঃসরণে কষ্ট। প্লাম্বাম ৬-ক োষ্ঠকাঠিন্য সহ মলূ-বে দনা। নে ট্রাম-মি উর ১২০ বি চূর্ণ-র্ণ২০০, এই র োগে র অপর একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। অবি রত মলত্যাগে চ্ছা, কি ন্তু ক োষ্ঠ পরি ষ্কার না হওয়া, নি ষ্ফল মলপ্রবত্তিৃত্তি 

    শুধু 

    ‘২১৬ 

    হ োমি ও পারি বারি ক চি কি ৎসা 

    বড় গুটিলা মল অতি কষ্টে নি ঃসরণ, সামান্য তরল মল; মাথা ভার, তলপে টে চাপব োধ ও অরুচি লক্ষণে নাঙ্গ-ভূমি কা ৩০ ভাল ঔষধ। যাহাদে র অধি ক অধ্যয়ন করি তে হয়, যাহারা বি ষাদভাবাপন্ন, গৃহে বসি য়া যাহাদে র অধি ক সময় অলসভাবে – যাপন করি তে হয়, অল্পে যাহারা চটিয়া উঠে এবং যাহাদে র পে টে র গ োলয োগ ও ক োষ্ঠকাঠিন্য আছে , তাহাদে র পক্ষে নাঙ্গ-ভমি কা বি শে ষ উপয োগী; জি ঙ্কামে ও নান্সে র ন্যায় নি ষ্ফল মল-প্রবত্তিৃত্তি দে খি তে পাওয়া যায়। অল্প অল্প শীতব োধ, মাথাব্যথা, যকৃতে বে দনা, শুষ্ক, বহৃ ৎ ও কঠিন দগ্ধবৎ মল; বাতজনি ত ক োষ্ঠকাঠিন্য; আদ ৌ মলত্যাগে চ্ছা না থাকা, গর্ভাবস্থায় ও গ্রীষ্মকালীন ক োষ্ঠকাঠিন্য এবং শি শুদি গে র ক োষ্ঠকাঠিন্যে ব্রাইয় োনি য়া ৬-৩০ (নাঙ্গ-ভূমি কা ও ব্রাইয় োনি য়ার প্রভে দ এই যে , অবি রত মল-প্রবত্তিৃত্তি সহ ক োষ্ঠকাঠিন্যে নান্স-ভম; এবং মলপ্ৰবত্তিৃত্তি-বি হীন ক োষ্ঠকাঠিন্যে ব্রাইয় োনি য়া উপয োগী)। মাথাধরা, মাথাঘ োরা, কি ছুকাল যাবৎ ক োষ্ঠ পরি ষ্কার না হওয়া; কঠিন শুষ্ক মল, সর্বদা চন্দ্রাবে শ; মখুমণ্ডল লালবর্ণ;র্ণ মত্রূ পরি মাণে অল্প লক্ষণে ওপি য়াম ৩০ (বদ্ধৃ , শান্তপ্রকৃতি ও রক্তপ্রধান-ধাতুবি শি ষ্ট ব্যক্তি দে র পক্ষে ওপি য়াম উপয োগী)। ক োষ্ঠকাঠিন্য অথবা বহু কষ্টে শুষ্ক কঠিন মল সামান্য নি র্গমর্গ ন, পে ট ফাঁপা, পে ট ভুটভাট করা; আহারে র পরে ই তলপে ট ফাঁপি য়া উঠা; পে ট গরম ব োধ; নি ষ্ফল মলপ্রবত্তিৃত্তি; মখু দি য়া জল বা উচ্চার উঠা লক্ষণে , লাইক োপ োডি য়াম ৩০ ব্যবস্থে য়। উৎকট ক োষ্ঠকাঠিন্য; গুটিলা মল; বহুদি ন যাবৎ মলত্যাগে র চে ষ্টা না থাকা লক্ষণে , অ্যালি উমে ন ৩০। মলত্যাগে র প্রবল প্রবত্তিৃত্তি, কি ন্তু মলত্যাগ করি বার চে ষ্টা করি লে ই উহা নি বত্তৃ হওয়া লক্ষণে , অ্যানাকার্ডি য়াম ৩-৬। দীর্ঘ ও সরু গুটিলা মল লক্ষণে , ফস্ফ োরাস ৩-৩০। প্রবল শুল্ক কাসি সহ ক োষ্ঠকাঠিন্যে , নাইট্রি ক-অ্যাসি ড ৩। ক োষ্ঠকাঠিন্য সহ অর্শর োগে (বি শে ষতঃ গর্ভবতীদি গে র), কলি ন্স োনি য়া ৩। সীসমলূ বা ভ্রমণজনি ত ক োষ্ঠকাঠিন্য; ক োমল মলও বহু কষ্টে নি র্গতর্গ হওয়া লক্ষণে , প্ল্যাটিনা ৬-৩০। স্ত্রীল োকদি গে র বহুকালব্যাপী ক োষ্ঠকাঠিন্যে , 

    টাৰে কাম ৩০ (প্রত্যহ একবার মাত্র সে ব্য)। মলদ্বারে বে দনা: জরায়-পীড়াগ্রস্ত বা গর্ভবতী স্ত্রীল োকদি গে র ক োষ্ঠকাঠিন্যে , সি পি য়া ৩০। ঋতুমতী প্রীল োকদি গে র ক োষ্ঠকাঠিন্যে মল কতকটা নি ঃসৃত হইবার পর পুনরায় সরলান্দ্রে (rectum) ঢুকি য়া যাওয়া লক্ষণে , সি লি কা ৩০। তলপে টে ও 

    ক 

    ক োষ্ঠকাঠিন্য

    ২১৭ 

    গুহ্যদ্বারে ভার ও গরম ব োধ, গুহ্যদ্বারে কুটকুট করা ও জালা; মলত্যাগে র অব্যবহি ত পূর্বে ও পরে মলদ্বারে অস্বচ্ছন্দতা অনভু ব; পুরাতন ক োষ্ঠকাঠিন্য, পুনঃ পুনঃ অতৃপ্ত মলপ্রবত্তিৃত্তি ও অর্শ পীড়া থাকি লে , সালফার ৩০-২০০। পুনঃ পুনঃ রে চক ঔষধ সে বনজনি ত ক োষ্ঠকাঠিন্য হইলে , হাইজ্যাপ্টি স ৩ (বি শে ষতঃ দর্বুর্বল ব্যক্তি দি গে র পক্ষে )। সাইলি সি য়া-মে রি না (২০, ৩০ বি চূর্ণ)র্ণ দীর্ঘকাল সে বনে ক োষ্ঠকাঠিন্য দরূ হইতে পারে । ৩-৩০ 

    পুরাতন ক োষ্ঠকাঠিন্য। সাল্ফার ৩০, অ্যাসি ড-নাইট্রি ক ৩-৬. নে ট্রাম-মি উর ৩০, পড় ো, সি পি য়া, ভি রে ট্রাম-অ্যাল্ব, কার্ব ো-ভে জ, হাইট্র্যান্টি স (সামান্য রকমে র ক োষ্ঠকাঠিন্য); অ্যাল োজ (অর্শ’সহ ক োষ্ঠকাঠিন্য): অ্যালি উমি না (শুল্ক, কঠিন, ছাগল বা ভে ড়ার নাদি র মত মল, মলপ্রবত্তিৃত্তি থাকে না, নরম মলও বহু চে ষ্টায় নি র্গতর্গ হয়); লাইক ো (পে টফাঁপাসহ ক োষ্ঠকাঠিন্য); ব্রাইয় ো (দপদপ কর মাথাব্যথাসহ ম োটে ই মল-প্রবত্তিৃত্তি না থাকা) নাক্স-ভম (মলত্যাগে র চে ষ্টা সত্ত্বে ও ম োটে ই মলত্যাগ না হওয়া); প্লাম্বাম (ক োষ্ঠকাঠিন্য, মল ভে ড়ার নাদি র ন্যায়, তৎসহ পে টে শলূবে দনা); ওপি য়াম (ক োষ্ঠকাঠিন্য সহ ঝি মান ো ভাব)। 

    আনষুঙ্গি ক চি কি ৎসা-ক োষ্ঠকাঠিন্য ঘটিলে পুনঃ পুনঃ জ োলাপ লওয়া ভাল নয়; যে হে তুউহা দ্বারা ক োষ্ঠকাঠিন্য বদ্ধমলূ হইয়া যায় ও পুনরায় জ োলাপ না লইলে ক োষ্ঠ পরি ষ্কার হয় না। হ োমি ওপ্যাথি ক ঔষধ সে বনে যদি মল নি র্গতর্গ না হয়, তাহা হইলে ১২ আউন্স গরম জলে ১ ড্রাম গ্লি সারি ণ মি লাইয়া ডুস নি লে মল নি র্গতর্গ হইয়া যায়। প্রত্যহ সকালে শয্যা হইতে উঠিয়াই ঠাণ্ডাজল পান ও প্রতি দি ন ঠান্ডা জলে স্নান উপকারী। প্রত্যহ প্রাতঃকালে মলত্যাগে র চে ষ্টা করা কর্তব্য। নি য়মি ত সময়ে আহার করা ও বাহ্যে যাওয়া; দি বসে প্রচুর পরি মাণে শীতল জল পান ও পে টে হাত বলুান প্রভৃতি হি তকর। হরীতকী, ইসপগুল, হি ং, ডাবে র জল, স োডাওয়াটার প্রভৃতি নি ত্য ব্যবহার না করি য়া সময়ে সময়ে ব্যবহার করি লে উপকার হইতে পারে । অলি ভ-অয়ে ল (জলপাই তৈ ল) স্বাস্থ্যকর খাদ্য ও মদৃ ুবি রে চক, ইহা সে বনে পি ত্তনি ঃসরণে র সহায়তা করে , অথচ রে চক ঔষধ সে বনে সচরাচর শরীরে র যে রূপ অনি ষ্ট হয় ইহাতে সে রূপ হয় না। জ োলাপ লইবার পরই র োগীর ক োষ্ঠকাঠিন্য ২১৮ 

    হ োমি ও পারি বারি ক চি কি ৎসা 

    কাঠিন্যগ্রস্ত ব্যক্তি গণ দীর্ঘজীবী হইয়া থাকে (যদি তাহারা বি রে চক ঔষধ সে বন করি য়া আত্মহত্যার ব্যবস্থা না করে )। উগ্র বি রে চক ঔষধ প্রয় োগ দ্বারা বলপূর্বক মলত্যাগ করাইলে র োগীর দে হ হইতে আর্দ্রতা নি ঃসৃত হইয়া যায়। পুনঃ পুনঃ দীর্ঘকাল এইরূপ জ োলাপ ব্যবহারে ক োষ্ঠকাঠিন্য উৎকট হইয়া র োগীদে হে দঢ়ৃ প্রতি ষ্ঠি ত হয়” (“অজীর্ণ র োগ” দ্রষ্টব্য)। মধ্যে মধ্যে ইসপগুলে র ভূষি ব্যবহার এবং ম োটা আটার রুটি ও দধু একসঙ্গে খাইলে উপকার হয়। 

    পালনীয় নি য়ম। প্রতি দি ন নি র্দি ষ্ট সময়ে বাহ্যে যাওয়া কর্তব্য। বাহ ো পাইবামাত্র বাহ্যে যাওয়া কর্তব্য, বি লম্ব করি লে মল শুল্ক হইয়া ক োষ্ঠ-কাঠিন্যে র সৃষ্টি করে । লাল আটা এবং ঢে কি ছাঁটা চাউল খাওয়া ভাল। রাত্রি কালে র ভ োজ্যদ্রব্য মাঝে মাঝে বদলাইয়া লওয়া উচি ত। রাত্রে ভাত না খাওয়াই শ্রে য়। দধু-বটিু বা খই-দধু খাইলে বাহ্যে পরি ষ্কার থাকে । প্রতি -দি ন কি ছুকি ছুফল খাওয়া ভাল। প্রাতে উচু-নীচ জায়গায় ভ্রমণ হি তকর। নি য়মি ত আহার, নি দ্রা ও ব্যায়াম প্রভৃতি স্বাস্থ্যবি ধি পালন করা কর্তব্য। 

    পথ্য। আঙ্গরু, আপে ল, কি শমি শ, মনক্কা, কমলালে ব,, পাকা কলা. পে পে , জাঁতাভাঙ্গা ম োটা আটা, মধু, দধু, মাখন, পাতি বা কাগজি লে ব.ুকচি ডুমরু, ওল, শাক-সব্জী। 

    আমাদে র পাঠক-পাঠিকাগণে র মধ্যে যাহারা জ োলাপে র ব্যবস্থা না করি লে তৃপ্ত হন না, নি তান্ত আবশ্যক হইলে তাঁহারা নি ম্নলি খি তভাবে জ োলাপ লইতে পারে ন-জঙ্গি হরীতকী, মি ছরি , স োনামখুী পাতা, ম ৌরি ও কি শমি শ (প্রত্যে কটি এক ত োলা পরি মাণ)। এই পাঁচটি দ্রব্য এক প োয়া গরম জলে রাত্রি তে ভি জাইয়া রাখি য়া পরদি ন প্রাতঃকালে উহা চটকাইয়া পরি ষ্কার কাপড়ে ছাকি য়া জলটুকু একে বারে খাইলে ক োষ্ঠ পরি ষ্কার হইতে পারে । আম নি র্গমর্গ নজনি ত পে টে বে দনা উপস্থি ত হইলে ভীত হইবার কারণ নাই-খানি কটা গরম জল বা গরম দধু খাইলে ই ব্যথার উপশম হয়। দইু-তি ন বার দাস্ত হইয়া গে লে লঘুপথ্য খাওয়া ও আহারান্তে ডাবে র জল এবং পে পে ব্যবস্থা। পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তি দি গে র পক্ষে এক প োয়া, বালকে র পক্ষে আধ প োয়া এবং পাঁচ বৎসরে র কম বয়স্ক হইলে মাত্রা বি বে চনাপূর্বক দি তে হয় ।