(Ptosis) চক্ষুর পাতা ঝুলিয়া পড়া (Ptosis) রোগী চক্ষের উপরের পাতা নাড়িতে পারে না; সুতরাং চক্ষে ধূলা, ধূম প্রভৃতি লাগে। চক্ষু আংশিক খোলা থাকায় চক্ষু দিয়া জল পড়ে ও লাল হয়। জেন্সিমিয়াম ৩০, ৩০ ইহার উৎকৃষ্ট ঔষধ। ইহাতে কাজ না হইলে-অ্যালিউমিনা, কষ্টি, কোনায়াম, ক্যাল্কে-ফস, নাইট্রিক-অ্যাসিড, নাক্স-ভম, ফস্ফোরাস, সিপিয়া, জিঙ্ক প্রভৃতি লক্ষণানুসারে ৬, ৩০ শক্তি প্রযোজ্য। প্রথমে…
(Nictitation) চক্ষুর পাতা নাচা (Nictitation) চক্ষুর পাতা অতিরিক্ত নাচিতে থাকিলে পাল্সেটিলা ৬, ইয়েসিয়া ৬ লক্ষণানুসারে ব্যবস্থেয়। ম্যাগ-ফস ৩০, সাইলিসিয়া ৬০ প্রভৃতিও ফলপ্রদ।
(অপথালমিয়া) ৫২৪ হোমিও পারিবারিক চিকিৎসা চক্ষু-প্রদাহ বা চোখ উঠা (অপথালমিয়া) চোখে ধূলি-কণা, ধূম, রৌদ্র, হিম, শীতল বাতাস, আঘাত প্রভৃতি কারণে চোখ উঠে। বসন্ত এবং প্রমেহ হেতুও চক্ষুপ্রদাহ হইয়া থাকে। অনেক সময় এই রোগ ছোঁয়াচে (contagious)। এক্ষণ-চতুর শেতাংশ লালবর্ণ, চোখ দিয়া জল বা পুঁজ পড়া, চচ্ছ জুড়িয়া যাওয়া, পিচুটি গড়া, বালি পড়া বা কাঁটা-বেধার ন্যায় বেদনা,…
পঞ্চ জ্ঞানেন্দ্রিয় মধ্যে দর্শনেন্দ্রিয়ের বাহ্যিক আধার দুইটি চচ্ছ। সাধারণভাবে বলিতে গেলে ইহা আলোকচিত্র গ্রহণের যন্ত্রবিশেষ কিন্তু কাৰ্য্যতঃ ইহা অতিশয় সূক্ষ্ম ও জটিল। ইহা বিধাতার অপূর্ব সৃষ্টি। অক্ষিগোলক পাঁচখানি অস্থি-সমন্বিত (সম্মুখ কপালাস্থি, গণ্ড-অস্থিদ্বয় এবং নাসা-অস্থিদ্বয়) অক্ষি-কোটরে (orbit) অবস্থিত এবং সম্মুখভাগে পাতা (অক্ষিপুট) ও লোম (পা) দ্বারা সুরক্ষিত। অক্ষিগোলক, অক্ষিকোটরস্থ সঞ্চিত বসার (fat) মধ্যে অবস্থিত এবং একটি…
চক্ষু-রোগ (Diseases of the eye) (চোখের রোগ) চক্ষুর ছানি — ৫৩২ চক্ষে কালশিরা পড়া — ৫২৬ চক্ষুরোগ — ৫১৯ চক্ষু-প্রদাহ বা চোখ-উঠা — ৫২৪, ৮১৬ পঞ্চ জ্ঞানেন্দ্রিয় মধ্যে দর্শনেন্দ্রিয়ের বাহ্যিক আধার দুইটি চচ্ছ। সাধারণভাবে বলিতে গেলে ইহা আলোকচিত্র গ্রহণের যন্ত্রবিশেষ কিন্তু কাৰ্য্যতঃ ইহা অতিশয় সূক্ষ্ম ও জটিল। ইহা বিধাতার অপূর্ব সৃষ্টি। অক্ষিগোলক পাঁচখানি অস্থি-সমন্বিত (সম্মুখ…
চক্ষুরোগ চক্ষু-প্রদাহ বা চোখ-উঠা — ৫২৪, ৮১৬ চক্ষুমধ্যে কীটাদি প্রবেশ — ৮৭৩ চক্ষুরোগ — ৫১৯ চক্ষুর ছানি — ৫৩২ চক্ষুর পাতা ফুলিয়া পড়া — ৫৩১ চক্ষুর পাতা আকুঞ্চন — ৫৩২ চক্ষুর পাতা নাচা — ৫৩১ চক্ষে কালশিরা পড়া — ৫২৬
দৃষ্টিশক্তির ক্ষীণতা (Dimness of Vision) কারণ-বহুবিধ কারণে দৃষ্টিস্থীণতা জন্মিতে পারে। মতি উজ্জ্বল পদার্থ অধিকক্ষণ স্থিরদৃষ্টিতে অবলোকন, অতি নিদ্রা বা অপরিমিত মাদকদ্রব্য সেবন, ঠান্ডা লাগা হেতু হঠাৎ ঘর্মরোধ, রজোরোধ প্রভৃতি এই রোগের প্রধান কারণ। ডায়বেটিস, উপদংশ, উচ্চ রক্তচাপ প্রভৃতি রোগ আছে কিনা পরীক্ষা করিয়া দেখা অবশ্য কর্ত্তব্য, থাকিলে তাহার চিকিৎসা সর্বাগ্রে কর্তব্য। চিকিৎসা শরীরের রস-রক্তাদি অধিক…
চক্ষে কালশিরা পড়া আঘাত বা জোরে ঘন ঘন কাসি (যেমন হুপিং কাসি) হইবার দরুণ কখন কখনও চক্ষু হইতে রক্ত পড়ে বা চোখের শ্বেতাংশে লালে ভাব দৃষ্ট হয়: ইহার নাম কালশিরা পড়া। মার্ণিকা ৩, ৩০-সেবন এবং আর্নিকা পাঁচ ফোটা অর্থ আউন্স এলে মিশাইয়া চোখের উপর পটি প্রয়োগে উপকার দর্শে।
চক্ষুর ছানি (ছানি) তারকামণ্ডলের (iris) পশ্চাতে স্বচ্ছ শুন্ডু-নির্মিত দুইদিক চাপা এক গোলক আছে। ইহাকে লেন্স (lens) বলা হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় ইহার ভিতর দিয়া আলোক-রশ্মি সহজেই অক্ষিপটের (retina) উপর পড়ে। এই রোগে উক্ত লেন্সের অভ্যন্তর অস্বচ্ছ হইয়া যায় এবং সেই কারণে দৃষ্টিশক্তির বিঘ্ন ঘটে। এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় এই লেন্স অস্ত্রোপচার করিয়া বাহির করিয়া লওয়া হয় এবং তৎপরিবর্তে…
৩৪২ কাসি (Cough) “কাসি” অন্য রোগের একটি উপসর্গ মাত্র। গলনলীর বিকৃতি, পাকস্থলীর ক্রিয়া-বিকার, ফুসফুস-প্রদাহ, যকৃতের পীড়া, প্রভৃতি পীড়ার সহিত প্রায়ই কাসি বর্তমান থাকে। যক্ষ্মারোগে জার ও বক্ষঃস্থলে বেদনাসহ কাসি বিদ্যমান থাকে। হাঁপানিতে যে কাসি থাকে, তাহা রাত্রিতে বৃদ্ধি পায় এবং সেইসঙ্গে শ্বাসকষ্ট থাকে। নিউমোনিয়াতে ইষ্টক-চূর্ণের বর্ণবিশিষ্ট স্বরণ নিষ্ঠীবনযুক্ত কাসি বর্তমান থাকে। রক্তোৎকাসে উজ্জল রক্তসহ কাসি…